
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা : জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর: নাটক-সিকান্দার আবু জাফর
জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর: নাটক-সিকান্দার আবু জাফর
সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য এবং ১০০% কমনের নিশ্চয়তায় সংগ্রহ করুন মুসা স্যারের বাংলা ১ম ও দ্বিতীয় পত্র সাজেশন ও সমাধান গ্রন্থসমূহ
বিভিন্ন বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় যে সমস্ত প্রশ্ন ২০২৩, ২০২২, ২০১৯, ২০১৮, ২০১৭ ও ২০১৬ সালে এসেছিল
১. কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়? ( সকল বোড ২০১৮)
উত্তর: ক্লাইভের নির্দেশে নবাবকে হত্যা করা হয়।
২. ক্লাইভের গাধা কে? (রা. বো. ২০১৭)
উত্তর: মিরজাফর।
৩. সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন? (ঢা. বো. ২০১৭)
উত্তর: রাজা মানিকচাঁদকে
৪. সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী? (ঢা. বো. ২০১৭ সিবো, দিবো-১৯)
উত্তর: লুৎফুন্নেসা
৫. সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
উত্তর: আমিনা বেগম।
৬. ‘সিরজউদ্দৌলা নাটকে শেষ সংলাপ কার? (রা. বো. ২০১৭)
উত্তর: মোহাম্মদি বেগের।
৭. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী? (দি. বো. ২০১৭)
উত্তর: উত্তর: মোহাম্মদি বেগ।
৮. ‘আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসঙ্গত।’ উক্তিটি কার? (রা. বো. ২০১৭)
উত্তর: হলওয়েলের।
৯. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়? (কু. বো. ২০১৭)
উত্তর: সাপ্তাহিক অভিযান।
১০. রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী? (কু. বো. চ. বো. ২০১৭, দিবো-১৯)
উত্তর: নারাণ সিং।
১১. নবাব আলিবর্দির প্রিয়পাত্র কে ছিলেন? (চ. বো. ২০১৭)
উত্তর: মিরজাফর।
১২. মোহনলালের তথ্য মতে সিরাজদ্দৌলার সৈন্য সংখ্যা কত? (সি. বো. ১৭)
উত্তর: পঞ্চাশ হাজারের বেশি।
১৩. নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী? (সি. বো. ২০১৭)
উত্তর: মির্জা মুহাম্মদ সিরাজউদ্দৌলা।
১৪. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে কতটি অঙ্ক আছে? (য. বো. ব. বো. ২০১৭)
উত্তর: চারটি।
১৫. সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন? (ব. বো. ২০১৭, ১৬)
উত্তর: মোহাম্মদি বেগ।
১৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের রচয়িতা কে? (চ. বো. ২০১৬)
উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর।
১৭. মিরজাফর কে? (র. বো. ২০১৬)
উত্তর: মিরজাফর সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি বা সিপাহসালার।
১৮. কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিলেন? (দি.বো. ২০১৬)
উত্তর: মিরজাফর।
১৯. পলাশির যুদ্ধ কতসালে সংঘটিত হয়? (কু. বো. ২০১৬)
উত্তর: ১৭৫৭ সালে।
২০. কলকাতা থেকে তারা খেয়ে ড্রেক কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়? (কু. বো. ১৬)
উত্তর: ফোর্টউইলিয়াম জাহাজে।
২১. সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী? (য.বো. সি. বো. ১৬)
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম ইরিচ খাঁ।
২২. রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাস ঘাতক বলেছেন? (ঢাবো-১৯)
উত্তর: উমিচাঁদকে।
২৩. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী? (ঢাবো-১৯)
উত্তর: মোহাম্মদি বেগ।
২৬. উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে? (রাবো-১৯)
উত্তর: লাহোর।
২৭. ‘চারিদিকে শুধু অবিশ^াস আর ষড়যন্ত্র’- উক্তিটি কার? (রাবো-১৯)
উত্তর: রায়দুর্লভের।
২৮. সিরাজউদ্দৌলার কোন সেনাপতি প্রথম মৃত্যুবরণ করে? (যবো-১৯)
উত্তর: মিরমর্দান।
২৯. ঐতিহাসিক পলাশী কোন নদীর তীরে অবস্থিত? (যবো-১৯)
উত্তর: গঙ্গা
৩০. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের শেষ সংলাপ কার? (কুবো-১৯)
উত্তর: মোহাম্মদি বেগের।
৩১. নবাবের গোলান্দাজ বাহিনি কোন খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে? (কুবো-১৯)
উত্তর: শিয়ালদহের মারাঠা খাল।
৩২. ‘আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি’-উক্তিটি কার? (চবো-১৯)
উত্তর: মিরজাফরের।
৩৩. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন? (চবো-১৯)
উত্তর: ভগবানগোলায়।
৩৪. ‘ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ’- উক্তিটি কার প্রতি করা হয়েছিল? (ববো-১৯)
উত্তর: ব্রিটিশ সেনাদের প্রতি।
৩৫. ‘মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি’- এখানে সেনাপতি কে? (ববো-১৯)
উত্তর: মোহন লাল।
৩৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের দৃশ্য সংখ্যা কত? (সিবো-১৯)
উত্তর: চার।
উপসর্গের পরীক্ষা MCQ আকারে দিতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
OnlineRedingRoom || বাংলা শব্দ গঠন: উপসর্গ (onlinereadingroombd.com)
নাটক : সিরাজউদ্দৌলা
টেক্সটভিত্তিক অঙ্ক ও দৃশ্যের
গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রথম অঙ্ক : প্রথম দৃশ্য
১. যুদ্ধ করো, প্রাণপণে যুদ্ধ করো- এ উক্তিটি কার?
উত্তর: ক্লেটনের।
২. ভিক্টরি অর ডেথ- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তিটি কার?
উত্তর: ক্লেটনের।
৩. ক্যাপ্টেন ক্লেটনের কাছে যুদ্ধ বন্ধের অনুমতি চেয়েছিলেন কে?
উত্তর: ওয়ালি খান।
৪. ‘ইংরেজের হয়ে যুদ্ধ করেছি কোম্পানির টাকার জন্যে। তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।’- উক্তিটি কার?
উত্তর: ওয়ালি খানের।
৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কোন বাঙালি টাকার জন্যে ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করেছে?
উত্তর: ওয়ালি খান।
৬. ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?’- এ উক্তিটি কার?
উত্তর: ক্লেটনের।
৭. ক্লেটন কাকে চড় মারার জন্য এগিয়ে যায়?
উত্তর: ওয়ালি খানকে।
৮. অধিনায়ক এনসাইন পিকার্ডের পতনের সংবাদ ক্যাপ্টেন ক্লেটনকে কে দেয়?
উত্তর: জর্জ।
৯. কোন এলাকার সমস্ত ছাউনি নবাব সৈন্যরা ছারখার করে দিয়েছে?
উত্তর: পেরিন্স পয়েন্টের।
১০. পেরিন্স পয়েন্টের সমস্ত ছাউনি কে ছারখার করে দিয়েছে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্যরা।
১১. কে নবাবের ছাউনিতে খবর পাঠিয়েছে? উত্তর: উমিচাঁদের গুপ্তচর।
১২. নবাবের পদাতিক বাহিনী কোন দিক থেকে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের দিকে এসেছে?
উত্তর: দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে।
১৩. নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন দিক থেকে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের দিকে আসছে?
উত্তর: শিলাইদহের মারাঠা খাল পেরিয়ে।
১৪. প্রথমে কারা কারা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ থেকে পালিয়ে যায়?
উত্তর: ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলার ফকল্যান্ড আর ম্যানিংহাম।
১৫. হলওয়েল কে?
উত্তর: ইংরেজ চিকিৎসক বা সার্জন।
১৬. কার মতে, নবাবের কাছে আত্মসমর্পণ করা যুক্তি সঙ্গত?
উত্তর: হলওয়েলের মতে।
১৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ১ম অঙ্কের ১ম দৃশ্যে যুদ্ধ করে টিকে থাকবার আশা নেই কাদের?
উত্তর: ইংরেজদের।
১৮. হলওয়েল যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইলেন কেন?
উত্তর: তাদের সৈন্য, অস্ত্র কম থাকার কারণে।
১৯. হলওয়েল যুদ্ধের জন্য কাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিল?
উত্তর: ডাচ ও ফরাসিদের কাছে।
২০. ক্লেটন যুদ্ধ বন্ধের জন্য কার সাথে পরামর্শ করতে যায়?
উত্তর: গভর্নর ড্রেক।
২১. ‘সুপ্রভাত, সার্জন হলওয়েল’- উক্তিটি কার?
উত্তর: উমিচাঁদের।
২২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ১ম অঙ্কের ১ম দৃশ্যে ফোর্র্ট উইলিয়ামের যুদ্ধে নবাবের সেনাধ্যক্ষ কে?
উত্তর: রাজা মানিকচাঁদ।
২৩. হলওয়েল মানিকচাঁদের কাছে কিসের জন্য অনুরোধ করতে বলেন?
উত্তর: নবাবকে যুদ্ধ বন্ধের জন্য।
২৪. কে গভর্নর ড্রেকের ধবংশ দেখতে চায়?
উত্তর: উমিচাঁদ।
২৫. গভর্নর রাজার ড্রেক ও ক্যাপ্টেন ক্লেটন দুর্গ থেকে কিসে করে পালিয়ে গেছেন?
উত্তর: নৌকা করে।
২৬. গভর্নরকে পালাতে দেখে কে তাঁর দিকে গুলি ছুঁড়েছিল?
উত্তর: একজন রক্ষী।
২৭. ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা- এটি কার উক্তি?
উত্তর: উমিচাঁদের।
২৮. হলওয়েলের পুরো নাম কী?
উত্তর: জন জেফানিয়া হলওয়েল।
২৯. উমিচাঁদকে দুর্গে সাদা নিশান উড়িয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন কে?
উত্তর: হলওয়েল।
৩০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ১ম অঙ্কের ১ম দৃশ্যে গঙ্গার দিককার ফটক ভেঙে কারা পালিয়ে গেছে?
উত্তর: ডাচ সৈন্য।
৩১. নবাবের সশস্ত্র পদাতিক বাহিনী কোন দিক দিয়ে কেল্লার ভেতরে প্রবেশ করেছে?
উত্তর: গঙ্গার দিককার ফটক দিয়ে।
৩২. সাদা নিশান ওড়াও।- কে এই উক্তিটি করেন?
উত্তর: হলওয়েল।
৩৩. দুর্গ তোড়নে কে সাদা নিশান উড়িয়ে দিল?
উত্তর: জর্জ।
৩৪. ‘সন্ধি না আত্মসমর্পণ?’- উক্তিটি কার?
উত্তর: মিরমর্দানের।
৩৫. ‘সবাই অস্ত্র ত্যাগ কর’- কে বলেন?
উত্তর: মানিকচাঁদ।
৩৬. নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতে কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
উত্তর: হলওয়েল।
৩৭. কার হুকুৃমে কাশিমবাজার কুঠি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল?
উত্তর: নবাবের।
৩৮. কাশিমবাজার কুঠি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল কেন?
উত্তর: ইংরেজরা গোপনে অস্ত্র আমদানি করছিল বলে।
৩৯. নবাবের নির্দেশ অমান্য করে ইংরেজরা কাকে আশ্রয় দিয়ে ছিল?
উত্তর: কৃষ্ণভল্লবকে।
৪০. কোন গ্রামগুলো ইংরেজরা নিজেদের দখলে নিয়েছিল?
উত্তর: কলকাতার আশেপাশের গ্রাম।
৪১. বাংলাদেশে বাণিজ্য করার অনমুতি ইংরেজদের কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: দিল্লির বাদশাহ ও নবাব আলিবর্দি
৪২. নবাব আলিবর্দি সিরাজউদ্দৌলার কী হন?
উত্তর: মাতামহ / নানা।
৪৩. উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইনটু পলিটিক্স- উক্তিটি কার?
উত্তর: ওয়াটস-এর।
৪৪. ‘ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি কেমন?’- উক্তিটি কার?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৪৫. নবাব সিরাজউদ্দৌলা গভর্নর ড্রেকের বাড়িটা কামানের গোলায় উড়িয়ে দেয়ার জন্য কাকে নির্দেশ দেন?
উত্তর: রায়দুর্লভকে।
৪৬. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন পাড়ায় আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘোষণা করেন?
উত্তর: ফিরিঙ্গিপাড়ায়।
৪৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কলকাতার নাম কী রাখেন?
উত্তর: আলিনগর।
৪৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করা হয়?
উত্তর: রাজা মানিকচাঁদকে।
৪৯. সিরাজউদ্দৌলা হলওয়েল, ওয়াটস আর কলেটের বিচার কোথায় করতে চাইলেন?
উত্তর: মুর্শিদাবাদে।
৫০. আপনাকে মুৃক্তি দেয়া হলো- কাকে মুক্তি দেয়া হলো?
উত্তর: উমিচাঁদকে।
সমাসের পরীক্ষা MCQ আকারে দিতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
OnlineRedingRoom || বাংলা শব্দ গঠন: সমাস (onlinereadingroombd.com)
প্রথম অঙ্ক : দ্বিতীয় দৃশ্য
১. প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: ভাগীরথী নদীতে ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে।
২. প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৬ সালের তেসরা জুলাইয়ের।
৩. কিলপ্যাট্রিক সাহায্যের জন্য কোথায় গিয়েছিল?
উত্তর: মাদ্রাজ।
৪. কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কত সৈন্য নিয়ে এসেছে?
উত্তর: আড়াই শ।
৫. নবাবের আদেশ অমন্যা করে কে কৃষ্ণভল্লবকে আশ্রয় দিয়েছিল?
উত্তর: ড্রেক।
৬. কিসের বিনিময়ে ড্রেক কৃষ্ণভল্লবকে আশ্রয় দিয়েছিল?
উত্তর: ঘুষের বিনিময়ে।
৭. ইংরেজ কর্মচারী হ্যারি, মার্টিনের মাসিক বেতন কত?
উত্তর: সত্তর টাকা।
৮. ‘ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছে আপনার কাছে।’- কার উক্তি, কার প্রতি?
উত্তর: মার্টিনের উক্ত, ড্রেকের প্রতি।
৯. হলয়েল ও ওয়াটসকে নবাব কখন মুক্তি দেন?
উত্তর: মুর্শিদাবাদে ফিরে।
১০. ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ কলকাতা থেকে কত দূরে ছিল?
উত্তর: চল্লিশ মাইল।
১১. ফোর্ট উইলিয়াম যুদ্ধের পর কয়েকজন ইংরেজ কীভাবে মারা যায়?
উত্তর: ম্যালেরিয়া আর ডিসেন্ট্রিতে ভুগে।
১২. কে কলকাতার দেওয়ান মানিকচাঁদকে ইংরেজদের পক্ষে হাত করেছে?
উত্তর: উমিচাঁদ।
১৩. ‘আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু’- উক্তিটি কার?
উত্তর: উমিচাঁদের।
১৪. ইংরেজদের পুনরায় ব্যবসার অনুমতি দিতে মানিকচাঁদ কত টাকা নজরানা নিয়েছে বলে উমিচাঁদ দাবি করে?
উত্তর: বারো হাজার টাকা।
১৫. মানিকচাঁদের কাছ থেকে অনুমতি নেয়ার বিষয়ে উমিচাঁদ কত টাকা পারিশ্রমিক দাবি করে?
উত্তর: পাঁচ হাজার টাকা।
১৬. উমিচাঁদের জন্ম স্থান কোথায়?
উত্তর: লাহোর।
১৭. ‘কাজেই উদ্দেশ্যের দিক দিয়া বিচার করিলে আমি আপনাদেরই সমগোত্রীয়।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: উমিচাঁদের।
১৮. ‘এ পারফেক্ট স্কাউন্ড্রেল ইজ দিস ওঁমিচাঁদ।’- উমিচাঁদ সম্পর্কে এটি কার মূল্যায়ন?
উত্তর: ড্রেকের।
১৯. মানিকচাদের হুকুমনামার জন্য উমিচাঁদ ইংরেজদের কাছে মোট কত টাকা দাবি করে?
উত্তর: সতের হাজার টাকা। (বারো হাজার + পাঁচ হাজার)
২০. ‘ওর লোভের অন্ত নেই।’-এখানে ‘ওর’টা কে?
উত্তর: উমিচাঁদ।
২১. কার সাথে নবাবের বিবাদের খবর উমিচাঁদের পত্রের মাধ্যমে পাওয়া যায়?
উত্তর: শওকতজঙ্গের।
২২. মাদ্রাজ থেকে কয়টি জাহাজ কলকাতায় আসার খবর পাওয়া যায়?
উত্তর: ৬টি জাহাজ।
প্রথম অঙ্ক : তৃতীয় দৃশ্য
১. প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের বাড়িতে।
২. প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৬ সালের ১০ই অক্টোবরের।
৩. ‘রাইসুল জুহালা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জাহেলদের রইচ।
৪. ‘আমি দুধের হাড়ির কাছে যেতে না যেতেই হাড়ির কালি মেখে গুলবাঘা বনে যাই।’- এখানে আমিটা কে?
উত্তর: উমিচাঁদ।
৫. ‘শওকতজঙ্গ নবাব হলে আমি কি পাব তা আমাকে পরিস্কার করে বলুন।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: জগৎশেঠের।
৬. ‘সে নবাবি পেলে প্রকারান্তরে আপনারাই তো দেশের মালিক হয়ে বসবেন।’-এটি কার উক্তি এবং এখানে ‘সে’টা কে?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের এবং এখানে ‘সে’ হলো শওকতজঙ্গ।
৭. ‘সিরাজের পতন কে না চায়?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: এটি ঘসেটি বেগমের উক্তি।
৮. ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: উমিচাঁদের।
৯. ‘দেহরক্ষী ফৌজ সঙ্গে না থাকলে এই জলসায় এতক্ষণে মর্সিয়া শুরু করতে হতো।’-সিরাজ কোথায় এই উক্তি করে?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের বাসভবনে।
১০. ‘তোমার প্রাসাদ বাজ পড়ে খান খান হয়ে যাবে।’- কে কাকে এই অভিশাপ দেয়?
উত্তর: ঘসেটি বেগম, সিরাজকে।
১১. ‘কেয়ামত নাজেল হবে। আমি তা দেখব-দেখব।’-এই আকাক্সক্ষা কার?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের।
ধ্বনি পরবির্তন সম্বন্ধে পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি : MCQ প্রশ্ন ও উত্তর, ধ্বনি পরিবর্তন -OnlineRedingRoom (onlinereadingroombd.com)
দ্বিতীয় অঙ্ক : প্রথম দৃশ্য
১. দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: নবাবের রাজ দরবার।
২. দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ১০ই মার্চের।
৩. ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।’- এই উক্তি কার?
উত্তর: নবাব সিরাজদ্দৌলার
৪. ‘আজ সেই অপরাধের জন্যে আপনাদের কাছে আমি বিচারপ্রার্থী।’ এখানে বিচার প্রার্থীটি কে?
উত্তর: নবাব সিরাজদ্দৌলা।
৫. ‘এই অবস্থার জন্যে দায়ী সিরাজের দুর্বল শাসন।’- এই উক্তি কার?
উত্তর: নবাব সিরাজদ্দৌলার।
৬. জনৈক লবণ ব্যবসায়ীকে কারা নিপীড়ন করে?
উত্তর: কুঠির সাহেবরা।
৭. লবণ ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে কয়জন কুঠির সাহেব মিলে নির্যাতন করে?
উত্তর: ৫ জন।
৮. লবণ ব্যবসায়ীর নখের ভিতর কুঠির সাহেবরা কী ঢুকিয়ে ছিল?
উত্তর: খেজুর কাঁটা।
৯. ইংরেজ কুঠিয়াল সাহেবরা লবণ ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে কত দরে লবণ কিনে?
উত্তর: তিন চার আনা মণ দরে।
১০. ইংরেজ কুঠিয়াল সাহেবরা সাধারণ মানুষের কাছে কত দরে লবণ বিক্রি করে?
উত্তর: দুটাকা আড়াই টাকা মণ দরে।
১১. ‘এ তো ডাকাতি।’- এই উক্তি কার?
উত্তর: মিরজাফরের।
১২. ‘এ তো ডাকাতি।’ এই ডাকাতি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: তিন চার আনা মণ দরে লবণ কিনে দুটাকা আড়াই টাকা মণ দরে লবণ বিক্রিকে বোঝানো হয়েছে।
১৩. কোম্পানিকে লবণের ইজারা কে দিয়েছিল?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
১৪. কাদের পরামর্শে নবাব কোম্পপানিকে লবণের ইজারা দেয়?
উত্তর: আমাত্যদের পরামর্শে।
১৫. ‘আপনাদের কাছে আজ আমি আমার অপরাধের বিচারপ্রার্থী।’- অপরাধটি কী?
উত্তর: কোম্পানিকে আমাত্যদের পরামর্শে লবণের ইজারা দেয়া।
১৬. ‘জাঁহাপনার বুদ্ধরি তারফি না করে পারা যায় না।’- উক্তটিি কার?
উত্তর: রাজবল্লভের।
১৭. ‘এমন সুচিন্তিত পরিকল্পনায় আমাদের অপমান না করলেও চলত।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: রাজবল্লভের।
১৮. ‘এই অযথা দুর্ব্যবহার আমরা হৃষ্ট মনে গ্রহণ করতে পারব কি না সন্দেহ।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
১৯. ‘এই অযথা দুর্ব্যবহার আমরা হৃষ্ট মনে গ্রহণ করতে পারব কি না সন্দেহ।’- এখানে ‘আমরা’ কারা?
উত্তর: রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, মিরজাফর, রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ।
২০. ‘অসংখ্য ছলনা এবং শাঠ্যের ওপর আমাদের মৌলিক স¤প্রীতির ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত।’- এখানে আমাদের বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বাঙালিদের।
২১. ‘আমাদের প্রতি নবাবের সন্দিগ্ধ মনোভাবের পরিবর্তন না হলে দেশের কল্যাণের কথা ভেবে আমরা উৎকন্ঠিত হয়ে উঠব।’- এই উক্তিটি কার?
উত্তর: মিরজাফরের।
২২. ‘শুধু ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।’- একটি পথ কোন পথ?
উত্তর: দেশের কল্যাণের পথ, দেশবাসীর কল্যাণের পথ।
২৩. কারা আলিনগরের সন্ধি খেলাপ করেছে?
উত্তর: ওয়াটস এবং ক্লাইভ।
২৪. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক অনুসারে চন্দননগর কাদের অধিকারে?
উত্তর: ফরাসিদের।
২৫. কারা ফরাসিদের অধিকৃত চন্দননগর আক্রমণ করেছে?
উত্তর: ইংরেজরা।
২৬. ‘তাদের ঔদ্ধত্য বিদ্রোহের পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে।’- এখানে ‘তাদের’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ইংরেজদের বা ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির।
২৭. ইংরেজদের ঔদ্ধত্যের প্রতিবিধান করতে না পারলে তারা কোথায় হস্তক্ষেপ করবে বলে নবাব আশঙ্কা করেন?
উত্তর: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়।
২৮. ‘বোঝা যতই দুর্বহ হোক একাই তা বইবার চেষ্টা করব।’- কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
২৯. ‘মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে আপনারা আমাকে বিভ্রান্ত করবেন না।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৩০. ‘দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
৩১. ‘আমি আল্লাহর পাক কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করছি, আজীবন নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব। ’- এটি কার ওয়াদা বা প্রতিজ্ঞা?
উত্তর: মিরজাফরের।
৩২. মিরজাফরর কীভাবে নবাবের অনুগত থাকার প্রতিজ্ঞা করে?
উত্তর: কোরান ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করে।
৩৩. কী ভঙ্গিতে মিরজাফর নবাবের অনুগত থাকার প্রতিজ্ঞা করে?
উত্তর: নতজানু হয়ে।
৩৪. রাজবল্লভ, জগৎশেঠ,উমিচাঁদ, রায়দুর্লভ কী ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করে?
উত্তর: তামা, তুলসী এবং গঙ্গাজল।
৩৫. ‘রামজিকি কসম, ম্যায় কোরবান হুঁ নওয়াবকে লিয়ে।’- এটি কার প্রতিজ্ঞা?
উত্তর: উমিচাঁদ।
৩৬. নবাবের দরবারে কোম্পানির প্রতিনিধি কে?
উত্তর: ওয়াটস।
৩৭. কোন সন্ধি অনুসারে নবাব ওয়াটসকে দরবারে কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে ঠাঁই দেয়?
উত্তর: আলিনগরের।
৩৮. ওয়াটস নবাবের দরবারে থেকে কীসের কাজ করছে বলে নবাব অভিযোগ করে?
উত্তর: গুপ্তচরের।
৩৯. ‘তোমাকে সাজা না দিয়েই ছেড়ে দিচ্ছি।’- এখানে ‘তুমি’ টা কে?
উত্তর: ওয়াটস।
৪০. বেইমান নন্দকুমারকে ঘুষ খাইয়ে কারা চন্দননগর ধ্বংস করছে?
উত্তর: ক্লাইভ আর ওয়াটস।
দ্বিতীয় অঙ্ক : দ্বিতীয় দৃশ্য
১. দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: মিরজাফরের আবাসে।
২. দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ১৯ শে মের।
৩. ‘অগ্নিগিরির মতো প্রচন্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্যে তৈরি হচ্ছি।’-এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
৪. ‘এবার আমি আঘাত হানবই।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
৫. ‘আমার চোখে কেয়ামতের ছবি ভেসে উঠেছিল।’- কার?
উত্তর: রাজবল্লভের।
৬. শওকতজঙ্গকে কীভাবে বিনাশ করা হয়?
উত্তর: মোহনলালের অধীনে সৈন্য পাঠিয়ে।
৭. রাজা মানিকচাঁদ কত টাকা দিয়ে মুক্তি পায়?
উত্তর: দশ লক্ষ টাকা।
৮. ‘আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
৯. কার অদৃষ্টে বিপদ ঘনিয়ে আসছে বলে রাজবল্লভ জানায়?
উত্তর: নন্দকুমারের।
১০. জগৎশেঠের মুক্তিমূল্য কত হবে বলে রাজবল্লভ আশঙ্কা করছে?
উত্তর: পাঞ্চাশ কোটি টাকা।
১১. জগৎশেঠের সমস্ত সম্পত্তি বিক্রি করলেও কত টাকা হবে না বলে সে আশঙ্কা করে?
উত্তর: কোটি টাকা।
১২. সেনাপতি ইয়ার লুৎফ খাঁয়ের অধীনে কত হাজার অশ্বারোহী পুষতে হচ্ছে বলে জগৎশেঠ জানায়?
উত্তর: দুহাজার অশ্বারোহী ।
১৩. কার তলোয়ারের কোপে রাইসুল জুহালার মুলা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে?
উত্তর: ক্লাইভের।
১৪. রাইসুল জুহালা তার কথায় কয় ধরনের চোরের উল্লেখ করে?
উত্তর: ৮ ধরনের।
১৫. রাইসুল জুহালা উদ্ধৃত ৮ ধরনের চোরের নাম লেখ।
উত্তর: হাঁড়ি চোর, শাড়ি চোর, গামছা চোর, বদনা চোর, জুতো চোর, গরু চোর, সিঁদেল চোর, কাফন চোর।
১৬. ‘সন্দেহ করাটা অবশ্য বুদ্ধিমানের কাজ ; কিন্তু বেশি সন্দেহে বুদ্ধি ঘুলিয়ে যেতে পারে।’ -এটি কার উক্তি?
উত্তর: রাইসুল জুহালার।
১৭. মিরজাফর, জগৎশেঠদের মাঝে কোথায় আগামী মাসের ৮ তারিখ লেখা পড়া হবে?
উত্তর: দুনম্বর জায়গা।
১৮. উল্লিখিত দু’নম্বর জায়গা কোনটি?
উত্তর: মিরনের আবাস।
১৯. কে নবাবের আসল চিঠি গোপন করে নকল চিঠি পাঠাচ্ছে কোম্পানির কাছে?
উত্তর: মির মুন্সি।
২০. ‘ওরা বেনিয়ার জাত। পয়সা ছাড়া কিছু বোঝে না।’- এখানে বেনিয়ার জাত করা?
উত্তর: ইংরেজরা।
২১. ‘একটা দিন, মাত্র একটা দিনও যদি ওই মসনদে মাথা উঁচু করে আমি বসতে পারতাম।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
২২. মিরজাফর-জগৎশেঠ-রাজবল্লভদের সাথে সন্ধির প্রশ্নে ক্লাইভের দাবি কতো?
উত্তর: দু কোটি টাকা।
দ্বিতীয় অঙ্ক : তৃতীয় দৃশ্য
১. দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: মিরনের আবাসে।
২. দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ৯ই জুনের।
৩. ‘অহরহ অশান্তি আর অব্যবস্থার মধ্য থেকে জীবন বিস্বাদ হয়ে উঠেছে।’-এটি কার উক্তি?
উত্তর: রায়দুলভের।
৪. কার গুপ্তচর মিরনের জীবন অসম্ভব করে তুলেছে?
উত্তর: মোহনলালের।
৫. কোম্পানির প্রতিনিধি কোথা থেকে মিরনের বাসায় আসবেন?
উত্তর: কাশিমবাজার থেকে।
৬. মিরনের বাসার আলোচনায় রায়দুর্লভ কেন থাকতে পারবেনা বলে জানায়?
উত্তর: তার জন্য বেশিক্ষণ বাইরে থাকা নিরাপদ নয় বলে।
৭. সিরাজের পতন হলে রায়দুর্লভ কী হতে চায়?
উত্তর: সিপাহসালার
৮. ‘চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র। এর ভেতরে কর্তব্য স্থির করাই দায় হয়ে উঠেছে।’ এটি কার উক্তি? কার প্রতি?
উত্তর: রায়দুর্লভের, মিরনের প্রতি।
৯. ‘প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নবাবের সঙ্গে তার বিশ্বাসঘাতকতার গুরুত্ব আছে বৈ কি!’- এখানে ‘তার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: রায়দুর্লভকে।
১০. ‘এঁরাই জানানা সওয়ারি।’-এই জানান সওয়ারি কারা?
উত্তর: ওয়াটস ও ক্লাইভ।
১১. ‘নবাবকে আমার কোনো ভয় নেই।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: এটি ক্লাইভের উক্তি।
১২. ‘যার প্রধান সেনাপতি বিশ্বাসঘাতক, যার খাজাঞ্চি, দেওয়ান, আমির, ওমরাহ সবাই প্রতারক তার কোনো ক্ষমতা থাকতে পারে না।’ এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের উক্তি।
১৩. ‘আপনার ইচ্ছে করলে আমাদের ক্ষতি করতে পারেন।’- এটি কার উক্তি? এখানে ‘আপনারা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ক্লাইভের উক্তি। ‘আপনারা’ বলতে রাজবল্লভ, মিরজাফর, জগৎশেঠকে বোঝানো হয়েছে।
১৪. ‘আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়?’-এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের।
১৫. ‘উমিচাঁদ এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক।’- উমিচাঁদ সম্পর্কে এটি কার মূল্যায়ন?
উত্তর: ক্লাইভের।
১৬. কে ক্লাইভদের প্লানের কথা নবাব সিরাজকে বলে দেয়?
উত্তর: উমিচাঁদ।
১৭. ইংরেজদের প্লানের কথা নবাবকে জানিয়ে দিলে, নবাব উমিচাঁদকে কী ক্ষতিপুরণ দিতে চেয়েছেন?
উত্তর: কলকতা অ্যাটাকের সময় উমিচাঁদের যা ক্ষতি হয়েছিল, তা পুরণ করতে চেয়েছেন।
১৮. উমিচাঁদ মিরজাফর-ক্লাইভদের কাছে আরো কত টাকা চায়?
উত্তর: ত্রিশ লক্ষ টাকা চায়।
১৯. ‘তাকে এত টাকা দেবার মতো পজিশন আমাদের নয়।’- এখানে কাকে এবং কত টাকা দেবার কথা বলা হয়েছে?
উতর: উমিচাঁদকে। ত্রিশ লক্ষ টাকা।
২০. ‘আমি উমিচাঁদকে ঠকাবার ব্যবস্থা করছি।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের।
২০. ‘আমি উমিচাঁদকে ঠকাবার ব্যবস্থা করছি।’- ক্লাইভ কীভাবে উমিচাঁদকে ঠকার ব্যবস্থা করেছে?
উত্তর: নকল দলিল করে।
২১. নকল দলিলে কে সই করতে রাজি হয় নি?
উত্তর: অ্যাডমিরাল ওয়াটসন।
২২. অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের সই জাল করেছে কে?
উত্তর: লুসিংটন।
২৩. যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কোম্পানি কত টাকা পাবে বলে দলিলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: এক কোটি টাকা।
২৪. যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কলকাতার বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণ বাবদ কত টাকা পাবে বলে দলিলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: সত্তর লক্ষ টাকা।
২৫. যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে ক্লাইভ কত টাকা পাবে বলে দলিলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: দশ লক্ষ টাকা।
২৬. নবাবের তহবিল কবার লুট করলেও কত টাকা পাওয়া যাবে না বলে রাজবল্লভ জানায়?
উত্তর: তিন কোটি টাকা।
২৭. ‘ইউ আর থিংকিং লাইক এ ফুল’- এই থিংকিংটা কী?
উত্তর: থিংকিংটা হলো- সিরাজের পতন হলে সিপাহসালার (মিরজাফর) শুধু মসনদে বসবে রাজ্য চালাবে কোম্পানি।
২৮. ‘দেশের শাসন ক্ষমতায়, আপনারা হাত দেবেন এ তো ভালো কথা নয়।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: জগৎশেঠের।
২৯. ‘শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।’- এটি কার উক্তি? এবং শুভকাজটা কী?
উত্তর: ক্লাইভের উক্তি। শুভকাজটা হলো- দলিলে সই করা।
৩০. ‘বাইরে কোথাও মরাকান্না শুনতে পাচ্ছেন শেঠজি? আমি যেন শুনলাম।’- মিরজাফর কখন এই মরাকান্না শুনতে পায়?
উত্তর: দলিলে সই করার পূর্বমুহূর্তে।
৩১. ‘বিদ্রোহী সেনাপতি, অথচ সো কাউয়ার্ড।’ - কার সম্বন্ধে কেন এই কথা বলেছে?
উত্তর: মিরজাফর সম্বন্ধে। দলিলে সই করতে ইতস্ততা করলে।
৩২. ‘সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফরের।
৩৩. ‘দেশের জন্যে দেশের নবাবকে আপনার সরিয়ে দিচ্ছেন।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের।
৩৪. ‘সে অত্যাচারী। সে থাকলে দেশের কল্যাণ হবে না।’- এখানে ‘সে’টা কে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
৩৫. ‘আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।’ এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের।
৩৬. ‘মূর্তিমান বেরসিক হা হা হা .....’- এই মূর্তিমান বেরসিকটা কে?
উত্তর: মোহনলাল।
৩৭. ‘ ইউ হ্যাভ ডান এ গ্রেট থিং-এ গ্রেড থিং।’- এই গ্রেট থিংটা কী?
উত্তর: দলিলে সই করা অর্থাৎ চুক্তি করা।
সোনার তরীর জ্ঞানমূলক প্রশ্ন পড়তে নিচের লিংকে ্ ক্লিক করুন:
তৃতীয় অঙ্ক : প্রথম দৃশ্য
১. তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: লুৎফুন্নিসার কক্ষে।
২. তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ১০ই জুন থেকে ২১শে জুনের মধ্যে যে কোন এক দিনের ঘটনা।
৩. লুৎফুন্নিসা ঘসেটি বেগমকে সালাম করলে ঘসেটি বেগম তাকে কী বলে?
উত্তর: সুখী এবং সৌভাগ্যবতী হও এমন দোয়া করলে সেটা আমার পক্ষে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে।
৪. ‘অদৃষ্টের পরিহাস-তাই ভুল করেছিলাম’- এটি কার উক্তি? এখানে কোন ভুলের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: এটি ঘসেটি বেগমের উক্তি। এখানে সিরাজকে কোলে পিঠে করে মানুষ করার কথা বলা হয়েছে।
৫. ‘যে সত্যিকার মা তার মহলেই তো চাঁদের হাট বসিয়েছ।’- এখানে সত্যিকারের মা কে?
উত্তর: এখানে সত্যিকারের মা আমিনা বেগম।
৬. ‘সিরাজ আমার কেউ নয়। সিরাজ বাংলার নবাব-আমি তার প্রজা।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের।
৭. নবাব সিরাজ কোথা থেকে ঘসেটি বেগমকে তাড়িয়ে দেয়?
উত্তর: মতিঝিল থেকে।
৮. নবাব কার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছেন বলে লুৎফা জানায়?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের কাছ থেকে।
৯. ‘তার নবাব হওয়াটাই তো আমার মস্ত ক্ষতি।’-এটি কার উক্তি?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের।
১০. ‘তোমাকে আমি চিনি। তুমি কম সাপিনী নও।’- এখানে ‘সপিনী’টি কে?
উত্তর: আমিনা বেগম।
১১. ‘আর বেশিদিন এমন সুখে তোমার ছেলেকে নবাবি করতে হবে না।’ এটি কার উক্তি?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের।
১২. ‘রাজনৈতিক প্রাধান্য লাভের আশায় আপনি উন্মাদ।’-এখানে ‘আপনি’টি কে?
উত্তর: ঘসেটি বেগম।
১৩. ‘শুধু অপমান নেই আমার।’ - এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজের।
১৪. নবাব সিরাজ কখন শরাব স্পর্শ না করার প্রতিজ্ঞা করে?
উত্তর: নবাব আলিবর্দি খাঁর মৃত্যুশয্যায়।
১৫. কার কামিয়াবির জন্য ঘসেটি বেগম অজ¯্র অর্থ ব্যয় করছেন?
উত্তর: শওকতজঙ্গের।
১৬. ‘আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ারের ভিড়।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজের।
১৭. ‘আমার অদৃষ্ট আর কল্যাণের মাঝখানে শুধু দেয়াল আর দেয়াল।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজের।
১৮. ইংরেজদের সঙ্গে নবাব সিরাজের যে সন্ধি হয় তা কী নামে পরিচিত?
উত্তর: আলিনগরের সন্ধি।
১৯. আলিনগরের সন্ধির মর্যাদা ইংরেজরা কত দিনের মধ্যে ভঙ্গ করে?
উত্তর: একমাসের মধ্যে।
২০. ‘ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব’- এই উক্তি কার?
উত্তর: নবাব সিরাজের।
২১. ‘মাঝে মাঝে ভেবেছি, এই বাধা যদি দূর হয়ে যেত। নিশ্চিত সাধারণ গৃহস্থের ছোট্ট সাজানো সংসার আমরা পেতাম।’- এটি কীসের বাধা?
উত্তর: রাজত্বের।
২২. ‘আমাদের মাঝখানে একটি রাজত্বের দেয়াল।’- কাদের মাঝখানে?
উত্তর: নবাব সিরাজ ও লুৎফার মাঝখানে।
তৃতীয় অঙ্ক : তৃতীয় দৃশ্য
১. তৃতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২২শে জুনের ঘটনা।
২. তৃতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: পলাশিত সিরাজের শিবিরে।
৩. তৃতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্য কোন সময়ে সংগঠিত হয়?
উত্তর: রাত্রি দ্বিপ্রহরের পর।
৪. ‘ইংরেজ সভ্য জাতি বলেই শুনেছি। তারা শৃঙ্খলা জানে, শাসন মেনে চলে।’- ইংরেজদের সম্পর্কে এটি কার মূল্যায়ন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৫. ‘একটি দেশের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তারা অস্ত্র ধরছে। আশ্চর্য!’- এখানে কাদের অস্ত্র ধরার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ইংরেজদের।
৬. পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষে মোট সৈন্য সংখ্যা কত?
উত্তর: তিন হাজারের বেশি না।
৭. পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
উত্তর: পঞ্চাশ হাজারের বেশি।
৮. পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের কামানের সংখ্যা কত?
উত্তর: ১০টি।
৯. পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কামানের সংখ্যা কত?
উত্তর: পঞ্চাশটার বেশি।
১০. ‘আমাদের সব সিপাই লড়বে কিনা এবং সব কামান থেকে গোলা ছুটবে কি না।’- এই আশঙ্কা কার?
উত্তর: নবাব সিরজউদ্দৌলার।
১১. পলাশির প্রান্তরে ক্লাইভের কয়টি গোপন চিঠি ধরা পড়েছে বলে মোহন লাল সিরজউদ্দৌলাকে জানায়?
উত্তর:তিনটি।
১২. ‘সাংঘাতিক লোক এই ক্লাইভ।’- ক্লাইভ সম্পর্কে এটি কার মূল্যায়ন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
১৩. পলাশির যুদ্ধের পূর্বদিন ইংরেজ সৈন্যরা কোথায় আশ্রয় নেয়?
উত্তর: লক্ষবাগে।
১৪. পলাশির যুদ্ধের পূর্বদিন ক্লাইভ ও তার সেনাপতিরা কোথায় আশ্রয় নেয়?
উত্তর: গঙ্গাতীরের ছোট্ট বাড়িতে।
১৫. পলাশির যুদ্ধে নবাবের ছাউনির সমানে কারা যুদ্ধরত ছিল?
উত্তর: মোহনলাল, মিরমর্দান এবং সাঁফ্রে।
১৬. সেনাপতি মিরমর্দানের জামাইয়ের নাম কী?
উত্তর: বদ্রিআলি খাঁ।
১৭. পলাশির যুদ্ধে নৌবে সিং হজারির বাহিনীর অবস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: গঙ্গার দিকে।
১৮. ‘কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।’ এখানে কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার বাহিনীর কথা।
১৯. ‘ইংরেজদের ঘায়েল করতে সেনাপতি মোহনলাল, সাঁফ্রে আর আমার বাহিনীই যথেষ্ট।’- এখানে ‘আমার বাহিনী’ বলতে কার বাহিনীকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মিরমর্দানের।
২০. মিরমর্দান, মোহনলাল আর সাঁফ্রের বাহিনীতে কতজন ঘোড়সওয়ার সেনা রয়েছে?
উত্তর: পাঁচ হজার।
২১. মিরমর্দান, মোহনলাল আর সাঁফ্রের বাহিনীতে কতজন পদাতিক সেনা রয়েছে?
উত্তর: আট হাজার।
২২. পলাশির যুদ্ধে মিরজাফরের বাহিনী কোথায় অবস্থান নেয়?
উত্তর: লক্ষবাগের দিকে।
২৩. ‘যেন নিশ্চিন্তে আত্মীয় বাড়ি যাচ্ছে।’ এখানে কাদের আত্মীয় বাড়ি যাওয়া কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মিরজাফরের বাহিনীর।
২৪. ‘আমাদের প্রাণ থাকতে নবাবের কোনো ক্ষতি হবে না।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মিরমর্দানের।
২৫. ‘তোমাদের প্রাণ বিপন্ন হবে অথচ স্বাধীনতা রক্ষা হবে না, এই চিন্তাটাই আজ বেশি করে পীড়া দিচ্ছে।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
২৬. ‘তোমাদের প্রাণ বিপন্ন হবে অথচ স্বাধীনতা রক্ষা হবে না, এই চিন্তাটাই আজ বেশি করে পীড়া দিচ্ছে।’- এখানে ‘তোমাদের’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মোহানলাল, মিরমর্দান ও সাঁফ্রেসহ দেশপ্রেমিক সেনাদের।
২৭. ‘আগামীকাল যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলার স্বাধীনতা মুছে যাবার সূচনা দেখে মিরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফদের মনে যদি দেশপ্রীতি জেগে ওঠে সেই সম্ভাবনাটুকু।’ এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
২৮. ‘আমি পলাশি গ্রামের লোক, হুজুর’- এখানে ‘আমি’টির নাম কী?
উত্তর: কমর বেগ জমাদার।
২৯. কমর বেগ জমাদার কে?
উত্তর: মিরজাফরের প্রধান গুপ্তচর উমর বেগের ভাই। সেও মিরজাফরের গুপ্ত চর।
৩০. গুপ্তচর উমর বেগ জমাদার কার হাতে নিহত হয়?
উত্তর: মোহন লালের বাহিনীর হাতে।
৩১. ‘কথায় কথায় মৃত্যুবিধান করাটাই শাসকের সবচাইতে যোগ্যতার পরিচয় কি না সে বিষয়ে আমি নিঃসন্দেহ নই’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৩২. ‘এখানে এ অবস্থায় শুধু ফরিয়াদ জানাতেই আসবে এতটা নির্বোধ তুমি নও।’- এটি কার উক্তি কার প্রতি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার, কমর বেগের প্রতি।
৩৩. কমর বেগের বাড়ি কোন গ্রামে?
উত্তর: পলাশি গ্রামে।
৩৪. পলাশির যুদ্ধের আগের রাতে সিরাজউদ্দৌলা কী পড়ছিলেন?
উত্তর: কোরান শরিফ।
তৃতীয় অঙ্ক : তৃতীয় দৃশ্য
১. তৃতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুনের ঘটনা।
২. তৃতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: পলাশির যুদ্ধক্ষেত্রে।
৩. যুদ্ধের প্রথম প্রহরে কোম্পানি ফৌজ টিকতে না পেরে কোথায় আশ্রয় নেয়?
উত্তর: লক্ষবাগে।
৪. কার কার বাহিনী যুদ্ধে যোগ দেয় নি বলে জনৈক সৈনিক নবাবকে জানায়?
উত্তর: সেপাহসালার, সেনাপতি রায়দুর্লভ এবং ইয়ার লুৎফ খাঁর।
৫. পলাশির যুদ্ধে নবাবের পক্ষের কোন সেনাপতি প্রথম ঘায়েল হয়?
উত্তর: নৌবে সিং হাজারি।
৬. নবাব সিরাজের গোলা বারুদ কীসে ভিজে যায়?
উত্তর: বৃষ্টির পানিতে।
৭. নবাব পক্ষের কোন সেনাপতি প্রথম মৃত্যুবরণ করে?
উত্তর: বদ্রিআলি খাঁ।
৮. ‘আমি তো ফ্রান্সের শত্রæদের বিরুদ্ধে লড়ছি জাঁহাপনা’- ফ্রান্সের শত্রæ কারা?
উত্তর: ইংরেজরা।
৯. ‘আপনার বিরাট সেনাবাহিনী চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে স্ট্যান্ডিং লাইক পিলার্স।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: ফরাসি সেনাপতি সাঁফ্রের উক্তি।
১০. ‘অ্যান্ড দ্যাট ইজ ডেনজারস।’- কোনটি ডেনজারস?
উত্তর: বৃষ্টিতে কামানের গোলা বারুদ ভিজে যাওয়ায় কামান ছাড়া যুদ্ধ করা।
১১. যুদ্ধ বন্ধের সুযোগে কে নবাব বাহিনীর উপর আক্রমণ করে?
উত্তর: কিলপ্যাট্রিক।
১২. ‘দি ব্রেভেস্ট সোলজার ইজ ডেড।’- এই ব্রেভেস্ট সোলজারটি কে?
উত্তর: মিরমর্দান।
১৩. ‘বাংলার সেনাবাহিনীর শ্রেষ্ঠ বীর সৈনিক সে তো আমি। যুদ্ধক্ষেত্রে আমি উপস্থিত নেই বলেই পরাজয় গুটিগুটি এগিয়ে আসছে।’- এখানে ‘আমি’টি কে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
১৪. ‘পলাশিতে যুদ্ধ শেষ হয়েছে, জাঁহাপনা।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: মোহনলালের।
১৫. ‘আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।’- কার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই?
উত্তর: মোহনলালের।
১৬. ‘ইনি বুঝি বাংলার সিপাহসালার? যুদ্ধে বাংলাদেশের জয় হয়েছে তো হুজুর?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: রাইসুল জুহালা।
১৭. সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
উত্তর: নারান সিং।
১৮. রাইসুল জুহালা কে?
উত্তর: রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম নারান সিং। সে সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর।
১৯. ‘গুপ্তচরের কাজ করেছি দেশের স্বাধীনতার খাতিরে। সে কি বেইমানির চেয়ে খারাপ? মোনাফেকির চেয়ে খারাপ?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নারন সিং-এর।
২০. নারান সিং-কে কীভাবে হত্যা করা হয়?
উত্তর: গুলি করে।
তৃতীয় অঙ্ক : চতুর্থ দৃশ্য
১. তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৫শে জুনের ঘটনা।
২. তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: মুর্শিদাবাদ নবাব দরবার।
৩. তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্য কোন সময়ে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: রাতে।
৪. ‘প্রাণের ভয়ে কে না পালায়’- এখানে কার পালানোর কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৫. ‘এখনো আমরা একত্রে রুখে দাঁড়াতে পারলে শত্রæ মুর্শিদাবাদে ঢুকতে পারবে না।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৬. ‘তারা দেশবাসীর সঙ্গে, দেশের মাটির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।’-এখানে তারা কার?
উত্তর: মিরজাফর, রায়দুর্লভ ও ইয়ার লুৎফ খা
৭. ‘এই প্রাণদান আমরা ব্যর্থ হতে দেব না।’- কাদের প্রাণদান ব্যর্থ হতে দেয়া হবে না?
উত্তর: দেশের স্বাধীনতার জন্য দেশের মানুষের জন্য যারা যুদ্ধ করেছে।
৮. রাজধানী মুর্শিদাবাদ ছেড়ে সবাই পালাচ্ছে কেন?
উত্তর: ইংরেজ বাহিনীর অত্যাচার ও লুটতরাজের ভয়ে।
৯. ‘পেছন থেকে আক্রমণ করবার সুযোগ দিলে মৃত্যুর হাত থেকে পালানো যায় না।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
১০. ‘ক্লাইভের হাতে রাজধানীর পতন হলে এ দেশর স্বাধীনতা চিরকালের মতো লুপ্ত হয়ে যাবে।’- এই আশঙ্কা কার?
উত্তর: নবাব সিরজউদ্দৌলার।
১১. কাদের কাছ থেকে যথেষ্ট সৈন্য সাহায্য আসবে বলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা জানান?
উত্তর: জমিদারদের কাছ থেকে।
১২. কে ইয়ার লুৎফ খাঁর সৈন্যদলে রোজ বেতনে জমাদারের কাজ করত?
উত্তর: জনৈক সৈনিক।
১৩. ইয়ার লুৎফ খাঁর সৈন্যদলে রোজ বেতনে জমাদারের কাজ করা সৈনিকের অধীনে কত জন সৈন্য আছে বলে সে জানায়?
উত্তর: ২০০ জন।
১৪. মুর্শিদাবাদে বর্তমানে কত সৈন্য সংগ্রহ করা সম্ভব বলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা আশা করেন?
উত্তর: কমপক্ষে দশ হাজার সৈন্য সংগ্রহ করা যাবে বলে আশা করেন।
১৫. জনৈক সৈনিক কার অশ্বারোহী বাহিনীতে ঠিকা হারে কাজ করত?
উত্তর: রাজবল্লভের।
১৬. মুহম্মদ ইরিচ খাঁ কে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর।
১৭. ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়। কিন্তু তাতে বীরের মনোবল ক্ষুণ্ন হয় না।’ এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
১৮. ‘দেশের স্বাধীনতার জন্যে, দেশবাসীর মর্যাদার জন্যে, তাঁরা জীবন দিয়ে গেছেন।’- এখানে ‘তাঁরা’ কারা?
উত্তর: মিরমর্দান, মোহনলাল, বদ্রিআলি, নৌবে সিং।
১৯. ‘স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি।’- এখানে স্বার্থান্ধ, প্রতারক, কাপুরুষ করা?
উত্তর: মিরজাফর, রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ প্রমুখ।
২০. ‘স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি।’- এখানে ‘বীর’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মিরমর্দান, মোহনলাল, বদ্রিআলি, নৌবে সিং-কে।
২১. ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।’- এখানে দেশপ্রেমিক বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মিরমর্দান, মোহনলাল, বদ্রিআলি, নৌবে সিংসহ যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন তাদের বোঝানো হয়েছে।
২২. ‘তাদের হাতে অস্ত্র আছে, আর আছে ছলনা এবং শাঠ্য।’- এখানে তাদের বলতে কাদের বোঝানো হযেছে?
উত্তর: মিরজাফর, রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ প্রমুখদের।
২৩. ‘এই অস্ত্র নিয়ে আমরা কাপুরুষ দেশদ্রোহীদের অবশ্যই দমন করতে পারব।’-এখানে ‘অস্ত্র’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা রক্ষার সংকল্পকে।
২৪. ‘হাজার হাজার মানুষ একযোগে রুখে দাঁড়াতে পারলে কৌশলের প্রয়োজন হবে না।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
২৫. ‘তারা চায় মসনদের অধিকার।’- কারা মসনদের অধিকার চায়?
উত্তর: মুসলমান মিরজাফর, ব্রাহ্মণ রাজবল্লভ, কায়স্থ রায় দুর্লভ, জৈন মহাতাব চাঁদ শেঠ, শিখ উমিচাঁদ, ফিরিঙ্গি খ্রিষ্টান ওয়াটস, ক্লাইভ।
২৬. ‘তারা চায় মসনদের অধিকার।’- কেন মসনদের অধিকার চায়?
উত্তর: র অবাধ লুঠতরাজের একচেটিয়া অধিকার পাবার জন্য।
২৭. ‘তাই সময় থাকতে একযোগে মাথা তুলে দাঁড়ান।’- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাদের মাথা তুলে দাঁড়াতে বলেছেন?
উত্তর: সাধারণ মানুষদের।
২৮. ‘আপনারা অবশ্যই জয়লাভ করবেন।’- কীভাবে জয়লাভ করবে?
উত্তর: সকলে একত্র হলে।
২৯. ‘সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়’- কোথায় যুদ্ধ হয় নি?
উত্তর: পলাশিতে।
৩০. বিহার থেকে কে নব গঠিত নবাব বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিবেন বলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা আশা করছেন?
উত্তর: রামনারায়ণ।
৩১. পাটনা থেকে কে নব গঠিত নবাব বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিবেন বলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা আশা করছেন?
উত্তর: ফরাসি বীর মসিয়ে ল।
৩২. ‘অন্ধকারের ফাঁকা দরবারে বসে থেকে কোনো লাভ নেই নবাব।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: লুৎফার উক্তি।
৩৩. নবাব সিরাজউদ্দৌলা দরবার ছেড়ে কোথায় আশ্রয় নেয়ার কথা ভাবছেন?
উত্তর: পাটনায়।
৩৪. ‘মানুষের দৃষ্টি থেকে চোরের মতো পালিয়ে পালিয়ে আমাকে পথ চলতে হবে।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৩৫. ‘সে-কষ্ট তুমি সইতে পারবে না লুৎফা।’- কোন কষ্ট লুৎফা সইতে পারবে না?
উত্তর: ‘মানুষের দৃষ্টি থেকে চোরের মতো পালিয়ে পালিয়ে নবাবকে পথ চলার কষ্ট।
৩৬. ‘ বাংলার নবাব যখন পরের সাহয্যের আশায় লালায়িত তখন আমার কিসের অহংকার?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: লুৎফার।
৩৭. মৃত্যু কীসের মতো নবাবকে তাড়া করে ফিরছে?
উত্তর: কুকুরের মতো।
৩৮. ‘মৃত্যু যখন আমার স্বামীকে কুকুরের মতো তাড়া করে ফিরছে তখন আমার কিসের কষ্ট?’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: লুৎফার।
চতুর্থ অঙ্ক : প্রথম দৃশ্য
১. চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৯শে জুনের ঘটনা।
২. চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: মিরজাফরের দরবারে।
৩. কী ছেড়ে মিরজাফরকে নবাবি লেবাস নিতে হচ্ছে বলে জগৎশেঠ জানায়?
উত্তর: ঢাল-তলোয়ার ছেড়ে।
৪. ‘নবাব আলিবর্দী ইন্তিকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটি তৈরি।’- কার পোশাকটি এবং কোন পোশাকটি?
উত্তর: মিরজাফরের নবাবি পোশাকটি।
৫. সিংহাসনে বসবার আগে মিরজাফর কোথায় ঢুকে পড়লেন বলে জগৎশেঠ আশঙ্কা করছে?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার হারেমে।
৬. মির জাফরের প্রকৃত নাম কী?
উত্তর: মির মুহম্মদ জাফর আলি খান।
৭. ‘আসন গ্রহণ করুন সুবে বাংলার নবাব।’ -এই সুবে বাংলার নবাবটি কে?
উত্তর: মির মুহম্মদ জাফর আলি খান।
৮. মিরজাফর সিংহাসনে না বসে কার জন্য অপেক্ষা করছিল?
উত্তর: ক্লাইভের জন্য।
৯. ‘ইনি কি নবাব না ফকির?’- এটি কার সম্বন্ধে, কার উক্তি?
উত্তর: মিরজাফর সম্বন্ধে ক্লাইভের উক্তি।
১০. ‘কর্নেল সাহেব হাত ধরে তুলে না দিলে আমি মসনদে বসবো না।’- এটি কার উক্তি, এখানে কর্নেল সাহেব কে?
উত্তর: এটি মিরজাফরের উক্তি, এখানে কর্নেল সাহেব ক্লাইভ।
১১. ‘আপনি নবাব, এ মসনদ আপনার।’- এ উক্তি কার, এখানে নবাব কে?
উত্তর: এটি ক্লাইভের উক্তি, এখানে নবাব মিরজাফর।
১১. ‘আমি তো আপনার রাইয়াৎ-আপনাকে নজরানা দেব।’-এটি কার উক্তি? এখানে ‘রাইয়াৎ’টি কে?
উত্তর: এটি ক্লাইভের উক্তি, রাইয়াৎ হলো ক্লাইভ।
১২. ‘মিরজাফর বেইমান নয়’- কাকে উদ্দেশ্য করে মিরজাফর এই উক্তি করে?
উত্তর: ক্লাইভকে।
১৩. ‘বাংলার মসনদের জন্যে আমি আপনার কাছে ঋণী।’- এখানে কে, কার কাছে ঋণি?
উত্তর: এখানে মিরজাফর ক্লাইভের কাছে।
১৪. ‘সে মসনদে বসতে হলে আপনার হাত ধরেই বসব, তা না হলে নয়।’- কে, কার হাত ধরে মসনদে বসতে চায়?
উত্তর: মিরজাফর ক্লাইভের হাত ধরে মসনদে বসতে চায়।
১৫. ‘নো ক্লাউন উইল এভার বিট হিম।’- এখানে ক্লাউনটি কে?
উত্তর: মিরজাফর।
১৬. ‘আই প্রেজেন্ট ইউ দ্যা নিউ নবাব’- এখানে নিউ নবাব কে?
উত্তর: মিরজাফর।
১৭. ‘আপনাদের দেশে আবার শান্তি আসল।’- এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের উক্তি।
১৮. ক্লাইভ কার কাছ থেকে সুদৃশ্য তোড়া নিয়ে নতুন নবাব মিরজাফরের পায়ের কাছে রাখে?
উত্তর: কিলপ্যাট্রিক।
১৯. ক্লাইভ কিলপ্যাট্রিকের কাছ থেকে সুদৃশ্য তোড়া নিয়ে নতুন নবাব মিরজাফরের কোথায় রাখে?
উত্তর: পায়ের কাছে।
২০. কী দিয়ে ক্লাইভ নতুন নবাব মিরজাফরকে অভিনন্দন জানায়?
উত্তর: একটি সুদৃশ্য তোড়া দিয়ে।
২১. কোম্পানির তরফ থেকে ক্লাইভ নতুন নবাব মিরজাফরকে কী দেয়?
উত্তর: একটি সুদৃশ্য তোড়া।
২২. ‘আমি আত্মহত্যা করব।’- এখানে কে আত্মহত্যা করতে চায়?
উত্তর: উমিচাঁদ।
২৩. উমিচাঁদ কেন আত্মহত্যা করতে চায়?
উত্তর: জাল দলিলের মাধ্যমে ক্লাইভ উমিচাঁদকে ঠকিয়েছে বলে।
২৪. ক্লাইভ কৃত জাল দলিলে উমিচাঁদকে কত টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল?
উত্তর: বিশ লক্ষ টাকা।
২৫. নবাবের রাজকোষ বাঁটোয়ার করে ক্লাইভে ভাগে কত পড়েছে বলে উমিচাঁদ দাবি করে?
উত্তর: একুশ লাখ।
২৬. ‘তোমার বয়স হয়েছে-মাথায় গোলমাল দেখা দিয়েছে।’- এই উক্তি কার? এখানে কার মাথায় গোলামালের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ক্লাইভের। উমিচাঁদের মাথায় গোলাম হয়েছে।
২৭. ‘এমন শুভ দিনটা থমথমে করে দিয়ে গেল।’- এটি কার উক্তি, শুভ দিনটি কী এবং কে থমথমে করে দিয়ে গেল?
উত্তর: এটি জগৎশেঠের উক্তি। শুভ দিনটি হলো মিরজাফরের সিংহাসন আরোহণের দিন। থমথমে করে দিয়ে গেল উমিচাঁদ।
২৮. মিরজাফর নবাব হয়ে ক্লাইভকে কী ইনাম (উপহার) দেয়?
উত্তর: বার্ষিক চার লক্ষ টাকা আয়ের জমিদারি চব্বিশপরগণার স্থায়ী মালিকানা।
২৯. পরাজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা কার হাতে বন্দি হয়?
উত্তর: মিরকাশেমের সৈন্যদের হাতে।
৩০. মিরকাশেমের সৈন্যদের হাতে পরাজিত নবাব সিরজাউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হয়?
উত্তর: ভগবানগোলায়।
৩১. ‘দেশের লোকের মনে সে কথা জাগিয়ে রাখতে হবে এভরি মোমেন্ট।’- এখানে কোন কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মিরজাফর শাসন করতে পারে, শাস্তি দিতে পারে সেই কথা।
৩২. বন্দি সিরাজকে কোন কয়েদখানায় নিয়ে আসা হবে?
উত্তর: জাফরগঞ্জের কয়েদখানায়।
৩৩. ক্লাইভের ভাষ্য অনুযায়ী ট্রেটারের (বিশ্বাসঘাতক) শাস্তি কী?
উত্তর: মৃত্যু দণ্ড।
৩৪. মুর্শিদাবাদের রাজপথ দিয়ে সিরাজকে নিয়ে যাওয়ার সময় সাধরণ পাবলিক কী করবে বলে ক্লাইভ মত দেয়?
উত্তর: সিরাজের মুখে থুথু দিবে-দে মাস্ট স্পিট অন হিজ ফেস।
৩৫. ‘অতটা কেন?’- এটি কার উক্তি? এখানে অতটা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: এটি মিরজাফরের উক্তি। এখানে অতটা বলতে সিরাজের মুখে থুথু দেয়াকে বোঝানো হয়েছে।
৩৬. ‘পাবলিকের মনে টেরর জাগিয়ে রাখতে পারাটাই শাসন ক্ষমতার গ্রানাইট ফাউন্ডেশন।’-এটি কার উক্তি?
উত্তর: ক্লাইভের।
৩৭. ‘ আমি জানি হি ইজ এ ডেড হর্স।’ এখানে ডেড হর্সটি কে?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা।
৩৮. ‘আজ রাত্রেই কাজ সারতে হবে।’- এখানে ‘কাজ’টা কী?
উত্তর: সিরাজকে হত্যা।
৩৯. কে সিরজাকে হত্যার হুকুম দিতে রাজি হলো না?
উত্তর: মিরজাফর।
৪০. ‘সে বেঁচে থাকতে তোমার কোনো আশা নেই।’-কার উক্তি, কে বেঁচে থাকলে কার আশা নেই?
উত্তর: এটি ক্লাইভের উক্তি, এখানে সিরাজের বেঁচে থাকার কথা বলা হয়েছে। সিরাজ বেঁচে থাকতে মিরনের নবাব হবার আশা নেই।
৪১. ‘হোয়াট অ্যাবাউট দ্যা লাভলি প্রিন্সেস?’ এখানে লাভলি প্রিন্সেসটি কে?
উত্তর: লুৎফন্নিসা।
৪২. সিরাজকে হত্যার জন্য মোহাম্মদি বেগ কতটাকা দাবি করে?
উত্তর: ১০ হাজার টাকা।
৪৩. সিরাজকে হত্যার জন্য মোহাম্মদি বেগ কতটাকা অগ্রিম দাবি করে?
উত্তর: ৫ হাজার টাকা।
৪৪. ‘কাজ ফতে হলেই আমাকে খবর দেবে, যাও।’- এখানে কোন কাজের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: সিরাজকে হত্যার কথা বলা হয়েছে।
চতুর্থ অঙ্ক : দ্বিতীয় দৃশ্য
১. চতুর্থ অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে কোন দিনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২রা জুলাইয়ের ঘটনা।
২. চতুর্থ অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্য কোন স্থানে সংগঠিত হয়েছে?
উত্তর: জাফরাগঞ্জের কয়েদখানায়।
৩. সিরাজকে যে কয়েদখানায় রাখা হয় তার নাম কী?
উত্তর: জাফরাগঞ্জের কয়েদখানা।
৪. জাফরাগঞ্জের কয়েদখানাটি কেমন ছিল?
উত্তর: প্রায় অন্ধকার।
৫. জাফরাগঞ্জের কয়েদখানায় কী কী ছিল।
উত্তর: একটি দড়ির খাটিয়া, একটি সুরাহি ও একটি পাত্র।
৬. কয়েদখানায় প্রবেশের সময় মোহাম্মদি বেগের ডান হাতে কী ছিল?
উত্তর: মোটা বাঁশের লাঠি।
৭. ‘শুভ হোক আমার বাংলার জন্যে। নিশ্চিত হোক বাংলার প্রত্যেকটি নরনারী।’-এই প্রার্থনা কার?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার।
৮. নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মিরন কয়টি অভিযোগের কথা উল্লেখ করে?
উত্তর: চারটি।
৯. নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী কী?
ক. বাংলা প্রজাসাধারণকে পীড়ন
খ. দরবারের পদস্থ আমির ওমরাহদের মর্যাদাহানি
গ. বাংলাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আইনসঙ্গত বাণিজ্যের অধিকার ক্ষুন্ন করা
ঘ. অশান্তি এবং বিপ্লব সৃষ্টি করা।
১০. ‘আসামির সে অধিকার থাকে নাকি?’- এখানে কোন অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে জারিকৃত মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞাদেশ দেখার অধিকার।
১১. ‘তুমি এ কাজ করো না মোহাম্মদি বেগ’- এখানে কোন কাজের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা।
১২. ‘আমার আব্বা-আম্মা পুত্রস্নেহে তোমাকে পালন করেছেন।’- কার আব্বা-আম্মা, কাকে লালন করেছেন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার পিতামাতা মোহাম্মদি বেগকে লালন পালন করেছেন।
১৩. মোহাম্মদি বেগ সিরাজে কোথায় চড়ে বসে?
উত্তর: পিঠে।
১৪. নবাব সিরাজের মুখের শেষ সংলাপ কী ছিল?
উত্তর: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ....
১৫. সিরাজউদ্দৌলাকে কবে হত্যা করা হয়?
উত্তর: তেসরা জুলাই
১৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের শেষ সংলাপ কার?
উত্তর: মোহাম্মদি বেগের।
১৭. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের শেষ সংলাপ কী?
উত্তর: ‘হা হা হা......’
১৮. মোহাম্মদি বেগম প্রথমে কী দিয়ে সিরাজকে আঘাত করে?
উত্তর: লাঠি দিয়ে।
১৯. মোহাম্মদি বেগম কী দিয়ে আঘাত করে সিরাজের মৃত্যু নিশ্চিত করে?
উত্তর: ছোরা দিয়ে।
নাটক ও নাট্যকার সম্বন্ধে
সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. সিকান্দার আবু জাফর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে।
২. সিকান্দার আবু জাফর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৯১৮ সালে।
৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের রচয়িতা কে?
উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর।
৪. সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
উত্তর: সমকাল।
৫. সিকান্দার আবু জাফর কাজী নজরুল ইসলামের কোন পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: নবযুগ।
৬. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
উত্তর: সাপ্তাহিক অভিযান।
৭. সিকান্দার আবু জাফরের আরো কয়েকটি নাটকের নাম লেখ।
উত্তর: মাকড়সা, শকুন্ত উপাখ্যান, মহাকবি আলাওল।
৮. সিকান্দার আবু জাফর বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৬ সালে।
৯. সিকান্দার আবু জাফর কত সালে মৃতু্যৃবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট।
১০. সিকান্দার আবু জাফর-এর ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৬৫ সালে।
১১. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে মোট কতটি অঙ্ক ও কতটি দৃশ্য আছে?
উত্তর: ৪টি অঙ্ক ও বারোটি দৃশ্য।
১২. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে মোট কতটি চরিত্র আছে?
উত্তর: ২৯টি।
১৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কতটি নারী চরিত্র আছে?
উত্তর: ৬টি।
১৪. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ১ম অঙ্কের দৃশ্যের সংখ্যা কতটি?
উত্তর: ৩টি।
১৫. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ২য় অঙ্কের দৃশ্যের সংখ্যা কতটি?
উত্তর: ৩টি।
১৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩য় অঙ্কের দৃশ্যের সংখ্যা কতটি?
উত্তর: ৪টি।
১৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪র্থ অঙ্কের দৃশ্যের সংখ্যা কতটি?
উত্তর: ২টি।
১৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কত সালের কোন দিনের কাহিনী বর্ণিত আছে?
উত্তর: ১৭৫৬ সালের ১৯ জুনের।
১৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ১ম দৃশ্যে উন্মোচিত হয় কোথায়?
উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ।
২০. আলিবর্দি খাঁ এর প্রকৃত নাম কী?
উত্তর: মির্জা মুহম্মদ আলি।
২১. মিরজাফর কোথা থেকে ভারতবর্ষে আসেন?
উত্তর: পারস্য বা ইরান থেকে।
২২. ক্লাইভের গাধা বলে কে পরিচিত?
উত্তর: মিরজাফর।
২৩. মিরজাফরের জামাতা কে? উত্তর: মিরকাসিম।
২৪. মিরজাফর কবে মারা যান? উত্তর: ১৭৬৫ সালের ৫ই ফেব্রæয়ারি।
২৫. কে পিতামাতার উচ্ছৃঙ্খল সন্তান ছিলেন?
উত্তর: রবার্ট ক্লাইভ।
২৬. রবার্ট ক্লাইভ কীভাবে মারা যান?
উত্তর: আত্মহত্যা করে।
২৭. উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী?
উত্তর: লাহোরের।
২৮. উমিচাঁদ কোন স¤প্রদায়ের লোক ছিলেন?
উত্তর: শিখ।
২৯. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাশিমবাজার কুঠির পরিচালক কে ছিল?
উত্তর: উইলিয়াম ওয়াটস।
৩০. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে একাধিকবার শূলে চড়িয়ে হত্যা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন?
উত্তর: উইলিয়াম ওয়াটসকে।
৩১. ইংরেজ পক্ষের নৌবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
উত্তর: অ্যাডমিরাল চার্লস ওয়াটসন।
৩২. অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীটি কে বানিয়েছে?
উত্তর: ডা. হলওয়েল।
৩৩. নবাব আলিবর্দি খানের বড় মেয়ের নাম কী?
উত্তর: ঘসেটি বেগম (মেহেরুন্নেসা)
৩৪. রাজা রাজবল্লভ কোথাকার অধিবাসী?
উত্তর: বিক্রমপুরের।
৩৫. জগৎশেঠ কোন স¤প্রদায়ের মানুষ ছিলেন?
উত্তর: জৈন।
৩৬. জগৎশেঠের প্রকৃত নাম কী ছিল?
উত্তর: ফতেহ চাঁদ।
৩৭. জগৎশেঠ এর অর্থ কী?
উত্তর: জগতের টাকা আমদানিকারী বা বিপুল অর্থের অধিকারী।
৩৮. সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম কী?
উত্তর: জয়েন উদ্দিন।
৩৯. সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
উত্তর: আমিনা বেগম।
৪০. মিরন কীভাবে মৃত্যুবরণ করে?
উত্তর: বজ্রাঘাতে।
৪১. হল্যান্ডের অধিবাসীরা কী নামে পরচিত?
উত্তর: ওলন্দাজ বা ডাচ্।
৪২. সিরাজউদ্দৌলার বিশ্বস্ত সেনাপতি কারা ছিলেন?
উত্তর: মিরমর্দান ও মোহনলাল।
৪৩. রাজবল্লভ কোন সম্প্রদায়ের লোক ছিল?
উত্তর: বৈদ্য।
মানব-কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
মুসা স্যার, বাংলা, 01713211910
+88 01713 211 910