
এইচএসসি রচনা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তার প্রতিকার
এইচএসসি রচনা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তার প্রতিকার
ভূমিকা: এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।
কবির এই অমর বাণী কখনও কখনও যেন আমাদের জীবন মিথ্যা হয়ে যেতে চায়। যখন নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের সব্যগ্রাসী শক্তি নিয়ে আমাদের উপর চেপে বসে, তখন নিজেদের বড় অসহায় মনে হয়। তবে সর্বংসহা জাতি হিসেবে পরিচিত আমরা পুনরায় জেগে উঠি নতুন উদ্যোমে।
সবুজ-শ্যামলে, হরিতে-হিরণে সুন্দর এই পৃথিবীর মানচিত্র ছোট্ট একটি দেশ-বাংলাদেশ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে লাল-সবুজের এই দেশটি সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের লীলাভূমি হিসেবে আখ্যায়িত। প্রকৃতপক্ষে ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশি আক্রান্ত হয়। ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান এমন এক জায়গায় যে, নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেন এদেশের মানুষের নিত্যসঙ্গী। দেশটি নদীবাহিত পলিমাটিতে তৈরি একটি বদ্বীপ। বিশাল গঙ্গা-যমুনা-মেঘনার প্রবাহ মিলিয়ে সাতশত নদ-নদী বয়ে গেছে এদেশের ওপর দিয়ে। তার ওপর এদেশের দক্ষিণাংশ জুড়ে রয়েছে বঙ্গোপসাগর-যার আকার অনেকটা ওল্টানো ফানেলের মতো সৃষ্টি হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বন্যা, ঝড় ঝঞ্চা, টর্নেডো, সাইক্লোন- তার সঙ্গে নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস ও জমিতে লবণাক্ততার আক্রমণ-যেন প্রায় প্রতিবছর লেগেই আছে। এমনি নানা দুর্যোগ এদেশের মানুষের জীবনকে তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নকে তছনছ করে দেয়।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ যেসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে অধিক হারে পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে রয়েছে-
১। বন্যা ২। সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস ৩। ঝড় ও ঝঞ্চা ৪। খরা
৫। নদীভাঙন ৬। ভূমিকম্প ৭। আর্সেনিক দূষণ ৮। লবণাক্ততা
৯। টর্ণেডো ১০। ভূমিক্ষয় ইত্যাদি।
বন্যাঃ প্লাবন বা বর্ষার ভয়াল রূপ হল বন্যা। বন্যার করালগ্রাসে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে যায়। অসংখ্যা মানুষ ও গৃহপালিত পশু প্রাণ হারায়, ঘর-বড়ি ও ফসল বিনষ্ট হয়। বিগত চার দশক থেকে বন্যা বাংলাদেশের একটি বার্ষিক ব্যাপার পরিণত হয়েছে। ১৯৫৪ ও ১৯৫৫ সালের বন্যা মানুষের মনে এখনও বিভীষিকারূপে বিরাজ করছে। ১৯৬৪ সালের বন্যায় সারা দেশ প্লাবিত হয়েছিল। ১৯৭০ সালেও লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ১৯৭৪ ও ১৯৮৭ সালের বন্যায় দেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হয় ১৯৮৮ সালে। মহাপ্লাবনে দেশের বহু প্রাণহানি ঘটে, ক্ষেতের ফসল, ঘর-বাড়ি ও মূল্যবান সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এ দুর্যোগ প্রায় প্রতি বছরই বাংলাদেশে কম বেশি আঘাত হানে। বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্মরণকালের সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস ছিল খুবই ভয়াবহ। এ সব সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসে ১৯৭০ সালে প্রায় ৫ লাখ এবং ১৯৯১ সালে প্রায় দেড় লক্ষ লোকের প্রাণহানি ঘটে। আশ্রয়চ্যুত হয় লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ। এ সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, লণ্ড-ভণ্ড হয়ে পড়ে সব কিছু। ফলে মানুষ পতিত হয় অবর্ণনীয় দুঃখ দুর্দশায়।
ঝড়-ঝঞ্চা: গ্রীষ্মকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আমাদের দেশে প্রতিবছরই অনেক ঝড়-ঝঞ্চা সংঘটিত হয়ে থাকে। এসব ঝড় সাধারণত বৈশাখ ও আশ্বিন মাসে হয়। ঝড়ের তাণ্ডব নৃত্যে এদেশের প্রচুর ঘর-বাড়ি এবং খেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।
অনাবৃষ্টি বা খরা: বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের কৃষি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু প্রকৃতির হেয়ালিপনার শিকার এ দেশে প্রায় প্রতি বছরই অনাবৃষ্টি বা খরার মতো মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পতিত হয়। খরার প্রচণ্ড তাপদাহে মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হয়ে যায়। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সংঘটিত খরার প্রকোপে ব্যাপক ফসলাদি নষ্ট হয় ও জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। খরার হিংস্র থাবার ফলে দেখা দেয় খাদ্যাভাব ও বিভিন্ন রোগ-শোক।
নদীভাঙন: নদীমাতৃক বাংলাদেশের বুক চিরে বয়ে গেছে হাজারো ছোট-বড় নদী। নদীর ধর্মই হল-এপাড় ভেঙ্গে ওপাড় গড়া। কিন্তু নদীর এ সর্বনাশা ভাঙ্গন এক মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছরই এ দেশের প্রচুর সম্পদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ দুর্যোগের কবলে পড়ে এদেশের বহু লোককে তাদের ঘর-বাড়ি, ধন-সম্পদ হারিয়ে উদ্বাস্তু জীবন যাপন করতে হয়।
ভূমিকম্প: প্রাকৃতিক দুর্যোগের এক ভয়াবহ রূপ হচ্ছে ভূমিকম্প। বিভিন্ন কারনে এদশে মাঝে মাঝে ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের মাত্রা বেড়ে গেলে তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এতে বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে পড়ে, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ জানমালের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
লবণাক্ততাঃ এদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলের এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হচ্ছে লবণাক্ততা। সমুদ্রের লবণাক্ত পানির প্রভাবে এদেশের উপকূলবর্তী বির্স্তীণ অঞ্চল লবণাক্তত থাকে। এতে কোন ফসল উৎপাদিত হয় না।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ: এদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দুটি প্রধান কারণ হল বন্যা ও নদীভাঙ্গন এবং উপক‚লে সামুদ্রিক ঘূণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস । নদী-শাসনের মাধ্যমে বন্যা প্রতিরোধের জন্যে দীর্ঘমেয়াদী ‘ফ্যাপ’ (ফ্লাপ অ্যাকশন প্লান) প্রকল্পে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিষয় অর্ন্তভুক্ত হয়েছে। এর জন্য বিশ্ব ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রভৃতি দাতা সংস্থা সহায়তা দিয়েছে। উপকূলীয় ঘুর্ণিঝড় পুর্নবাসন প্রকল্পের দুর্যোগ ব্যবস্থাপন কার্যসূচির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তাতে বহুসংখ্যক উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের এবং উপকূলীয় বনায়নের মাধ্যমে ঝড়ের তীব্রতা কমাবার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ প্রতিরোধের উপায় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার ভালো উপায়ঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি অভিশাপ। এ অভিশাপ থেকে মুক্তির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এসব প্রস্তুতির মধ্যে পড়ে আগাম সর্তকতা, দুর্যোগকালে ক্ষয়ক্ষতির প্রশমন, দুর্যোগের পর পুর্নবাসন ও পুর্নগঠন। দুর্যোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে যাতে দুর্যোগ না ঘটে সে জন্যে অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নের ব্যবস্থা করা। এসবের প্রস্তুতিকল্পে বাংলাদেশও বেশে সোচ্চার। আমাদের দেশে চিরাচরিতভাবে দুর্যোগ মোকবেলা বলতে বোঝাতে দুর্যোগ ঘটে যাবার পর সাহায্য দানের মাধ্যমে তার ক্ষয়ক্ষতি নিরসনের চেষ্টা করা। কিন্তু আজ আর এই ধারণা নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা হচ্ছে না। এর জন্যে পূর্ব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে অভিনব পদ্ধতিতে। যেমনঃ
১। দুর্যোগ ঘটার পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করা এবং সেজন্যে বিশেষ ধরনের কর্মীবাহিনী সৃষ্টি এবং জনগণকে প্রশিক্ষিত করে তোলা।
২। জাতীয়ভিত্তিতে দুর্যোগ মোকাবেলা করার নীতিমালা পরিকল্পনা ও কর্মপদ্ধতি প্রণয়ণ।
৩। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা।
৪। পরীক্ষিত পদ্ধতির ভিত্তিতে যথাসময়ে কর্মকর্তা সৃষ্টির আয়োজন।
৫। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি ও চাহিদা নিরূপণের ব্যবস্থা করা।
৬। তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থা উন্নত করা।
৭। সামরিক বাহিনীকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজে সমন্বয় সাধন করা।
৮। থানা, জেলা, ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিদের নিয়ে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা।
৯। দুর্যোগ মোকাবেলায় নিয়োজিত কর্মিবাহিনীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
১০। সর্বোপরি দুর্যোগের সম্ভাব্যতা ও সেগুলোর মোকাবেলা করার পদ্ধতি সম্বন্ধে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বিভিন্ন সংস্থা:
দুর্যোগ মোকাবেলায় জাতিসংঘের ভূমিকা: জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ মোকাবেলার উদ্দেশ্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মধ্যে বিপর্যয় মোকাবেলার সহযোগিতা ও সমন্বয়ের জন্যে ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের একটি মানবিক বিষয় সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে। এই বিভাগ সারাক্ষণ সারা বিশ্বের কোথাও কোনো দুর্যোগ ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে কিনা সেদিক নজর রাখে। কোথাও দুর্যোগ ঘটলে সেখানে সাহায্য পৌছাবার জন্যে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেয়। এছাড়াও দুর্যোগের কারণ চিহ্নিত করা, পূর্ব সতর্কতার ব্যবস্থা করা, ত্রাণ পৌঁছানো জাতিসংঘের কাজ। শুধু অর্থ ও ত্রাণ দিয়েই যে জাতিসংঘ সহায়তা করে তা নয়। জাতিসংঘ দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার সুদূরপ্রসারী কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহায়তা দেয়। খরার কারণে দুর্ভিক্ষ কবলিত অঞ্চলে জাতিসংঘের খাদ্য সাহায্য উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। পরিবেশ উন্নয়নের জন্যে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘ বিভিন্নভাবে কাজ করে। তাছাড়া পরমাণু অস্ত্ররোধ, যুদ্ধ বিগ্রহ থামানো প্রভৃতি ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের যেসব সংস্থা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেগুলো হলোঃ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF), জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি(UNDP), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) এবং জাতিসংঘ উদ্ধাস্তু সংক্রান্ত হাই কমিশনারের দপ্তর (UNHCR) এছাড়াও বিভিন্ন দেশের প্রায় দু’শ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দুর্যোগপরবর্তী পুর্নবাসন কাজে জাতিসংঘকে সহযোগিতা করে থাকে।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপঃ বাংলাদেশেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয়ভিত্তিক নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। ১৯৯৫ সালে একটি জাতীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কার্য-পরিকল্পনা (NEMAP) গৃহীত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছেও সরকার প্রয়োজনে সাহায্য সহযোগিতা চাইছে। বিশেষ করে ১৯৮৭,৮৮ ও ৯৮-র বন্যা এবং ৯১-এ ঘূর্ণিঝড় দুর্গতের জন্য বাংলাদেশের আহ্বানে ব্যাপক আকারে বৈদেশিক সাহায্য এসেছে।
উপসংহার: এক সময় মানুষের ধারণা ছিল প্রকৃতির ওপর যে কোন উপায়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠাই সবচাইতে জররি। আজ সে ধারণা পরিবর্তন ঘটেছে। কেননা দেখা যাচ্ছে, এই আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে বন ধ্বংস করে, নদীর প্রবাহ বন্ধ করে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে মানুষ নিজের জন্যে সমূহ বিপদ ডেকে এনেছে। তাই আজ প্রকৃতির ওপর আধিপত্য নয়, মানুষ গড়ে তুলতে চাইছে প্রকৃতিক সঙ্গে মৈত্রীর সম্বন্ধ। আর চেষ্টা করছে প্রকৃতির ভারসাম্য বজার রেখে প্রকৃতির সহায়তায় তার নিজের জীবন ধারাকে আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
+88 01713 211 910