
মানব-কল্যাণ:আবুল ফজল, জ্ঞানমূলক প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি,
মানব-কল্যাণ:আবুল ফজল
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন:লেখক পরিচিতি ও গল্প পাঠ
১। আবুল ফজল কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
উত্তর: আবুল ফজল চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
২। আবুল ফজলের পিতার নাম কী?
উত্তরঃ আবুল ফজলের পিতার নাম ফজলুর রহমান।
৩। আবুল ফজল কত খিষ্ট্রাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল ১৯০৩ খিষ্ট্রাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
৪। আবুল ফজল ১৯০৩ খিষ্ট্রাব্দে কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল ১৯০৩ খিষ্ট্রাব্দে পহেলা জুলাই জন্মগ্রহণ করেন।
৫। আবুল ফজল তাঁর শিক্ষাজীবন কোথায় অতিবাহিত করেন?
উত্তর: আবুল ফজল তাঁর শিক্ষাজীবন চ্ট্টগ্রামের ও ঢাকায় অতিবাহিত করেন।
৬। আবুল ফজল কী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন?
উত্তর: আবুল ফজল স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
৭। আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন?
উত্তর: আবুল ফজল প্রায় ত্রিশ বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।
৮। আবুল ফজল কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
উত্তর: আবুল ফজল চ্ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৯। আবুল ফজল কী হিসেবে সমধিক খ্যাত?
উত্তর: আবুল ফজল সমাজ ও সমকাল-সচেতন সাহিত্যিক এবং প্রগতিবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।
১০। ছাত্রজীবনে আবুল ফজল কোন আন্দোলনে যুক্ত হন?
উত্তর: ছাত্রজীবনে আবুল ফজল বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে যুক্ত হন।
১১। অন্যদের সঙ্গে মিলে আবুল ফজল কী প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: অন্যদের সঙ্গে মিলে আবুল ফজল মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।
১২। আবুল ফজল কী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছিলেন?
উত্তর: আবুল ফজল কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছিলেন।
১৩। আবুল ফজল মূলত কোন ধরনের সাহিত্যিক ছিলেন?
উত্তর: আবুল ফজল মূলত চিন্তাশীল ধরনের সাহিত্যিক ছিলেন।
১৪। লেখক আবুল ফজলের প্রবন্ধে কী বিধৃত হয়েছে?
উত্তর: লেখক আবুল ফজলের প্রবন্ধে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও স্বচ্ছ দৃষ্টির পরিচয় বিধৃত হয়েছে।
১৫। আবুল ফজলের সাহিত্যকর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী?
উত্তর: আবুল ফজলের সাহিত্যকর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি, মানবতা ও শুভবোধ।
১৬। আবুল ফজলের লেখা ‘চৌচির’ কোন জাতীয় রচনা?
উত্তর: আবুল ফজলের লেখা চৌচির’ একটি উপন্যাস।
১৭। ‘রাঙা প্রভাত’ কী ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘রাঙা প্রভাব’ একটি উপন্যাস।
১৮। ‘মাটির পৃথিবী’ আবুল ফজলের কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘মাটির পৃথিবী’ আবুল ফজলের একটি গ্রল্পগ্রন্থ।
১৯। আবুল ফজলের লেখা ‘মৃতের আত্মহত্যা’ কোন জাতীয় র চনা?
উত্তর: আবুল ফজলের লেখা ‘মৃতের আত্মহত্যা’ একটি গল্পগ্রন্থ।
২০। ‘সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা’ প্রবন্ধটির রচয়িতা আবুল ফজল।
২১। ‘সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন’ আবুল ফজলের কী জাতীয় রচনা?
উত্তর: ‘সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন’ আবুল ফজলের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
২২। আবুল ফজল রচিত ‘সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র’ কোন জাতীয় গ্রন্থ?
উত্তর: আবুল ফজল রচিত ‘সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।
২৩। ‘মানবতন্ত্র’ প্রবন্ধটি কে লিখেছেন?
উত্তর: ‘মানবতন্ত্র’ প্রবন্ধটি লিখেছেন আবুল ফজল।
২৪। ‘একুশ মানে মাথা নত না করা-’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘একুশ মানে মাথা নত না করা-’ প্রবন্ধটির রচয়িতা আবুল ফজল।
২৫। ‘রেখাচিত্র’ আবুল ফজলের কোন জাতীয় রচনা?
উত্তর: ‘রেখাচিত্র’ আবুল ফজলের লেখা একটি দিনলিপি।
২৬। ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ গ্রন্থটির রচয়িতা আবুল ফজল।
২৭। আবুল ফজল কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
২৮। আবুল ফজল কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল মৃত্যুবরণ করেন ৪ মে।
২৯। আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল চট্টগ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।
৩০। আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
উত্তর: আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ কথাটা অনেকখানি সস্তা আর মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩১। একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও আমরা কী মনে করে থাকি?
উত্তর: একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও আমরা মানব-কল্যাণ মনে করে থাকি।
৩২। লেখকের মতে, কোন বিষয়টি সাধারণত আমাদের উপলব্ধি করা হয় না?
উত্তর: লেখকের মতে, মনুষ্যত্ববোধ আর মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করার বিষয়টি সাধারণত আমাদের উপলব্ধি করা হয় না।
৩৩। ‘ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ’-কথাটি কে বলেছিলেন ?
উত্তর: ‘ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ’-কথাটি বলেছিলেন ইসলামের নবি।
৩৪। নিচের হাত মানে কী?
উত্তর: নিচের হাত মানে-গ্রহীতা বা যে মানুষ হাত পেতে গ্রহণ করে।
৩৫। ওপরের হাত মানে কী?
উত্তর: ওপরের হাত মানে-দাতা বা যে হাত তুলে ওপর থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করে।
৩৬। দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর মাঝে কোনটি প্রতিফলিত হয়?
উত্তর: দীনতা প্রতিফলিত হয়।
৩৭। দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?
উত্তর: দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্ব অবয়বে প্রতিফলিত হয়।
৩৮। ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্ব অবয়বে যেভাবে প্রতিফলিত হয়, তার দৃশ্যকে লেখক কী বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্ব অবয়বে যেভাবে প্রতিফলিত হয়, তার দৃশ্যকে লেখক বীভৎস বলে অভিহিত করেছেন।
৩৯। কোন দিক থেকে অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত?
উত্তর: মনুষ্যত্ব আর মানব-মর্যাদার দিক থেকে অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত।
৪০। কোনটি জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক?
উত্তর: রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক।
৪১। প্রশাসন চালানো এবং জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা কার দায়িত্ব?
উত্তর: প্রশাসন চালানো এবং জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
৪২। ‘মানব-কল্যাল’ প্রবন্ধনুসারে রাষ্ট্রের বৃহত্তম দায়িত্ব কোনটি?
উত্তর: ‘মানব-কল্যাল’ প্রবন্ধনুসারে রাষ্ট্রের বৃহত্তম দায়িত্ব হলো জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা।
৪৩। জাতিকে কী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
উত্তর: জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
৪৪। মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
উত্তর: মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব পরিবার, সমাজ আর রাষ্ট্রের।
৪৫। লেখকের মতে, কোন ধারণা সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক?
উত্তর: লেখকের মতে, করুণাবশত দান-খয়রাত করা সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক।
৪৬। ইসলামের নবি ভিক্ষুককে একখানা কী কিনে দিয়েছিলেন?
উত্তর: ইসলামের নবি ভিক্ষুককে একখানা কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন।
৪৭। লেখকের মতে,কোন ক্রিয়াকর্মের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি মনুষ্যত্বের অবমাননা?
উত্তর: লেখকের মতে,দয়া বা করুণায় বশবর্তী হয়ে দান খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি মনুষ্যত্বের অবমাননা।
৪৮। কোন ধরনের রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
উত্তর: যে রাষ্ট্র হাত পাতা আর চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেয়, সে রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না।
৪৯। লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
উত্তর: লেখক দয়া বা করুণা বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না।
৫০। মানব-কল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
উত্তর: মানব-কল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত।
৫১। ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধে বর্ণিত, একদিন এক ব্যক্তি কার কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল?
উত্তর: ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধে বর্ণিত, একদিন এক ব্যক্তি ইসলামের নবির কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল।
৫২। ইসলামের নবি ভিক্ষুককে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?
উত্তর: ইসলামের নবি ভিক্ষুককে বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা অর্জনের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
৫৩। সমাজের ক্ষুদ্রতম অঙ্গ বা ইউনিট কোনটি?
উত্তর: সমাজের ক্ষুদ্রতম অঙ্গ বা ইউনিট হলো-পরিবার।
৫৪। মানুষকে কোন পথ বেড়ে উঠতে হবে?
উত্তর: মানুষকে মানবিক-বৃত্তির বিকাশের পথ বেড়ে উঠতে হবে।
৫৫। মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা কোথা থেকে শুরু হয়?
উত্তর: মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা শুরু হয় পরিবার থেকে।
৫৬। লেখকের মতে, মানব-কল্যাণ কী হরেত পারে না?
উত্তর: লেখকের মতে, মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভূ, বিচ্ছিন্ন, সম্পর্ক- রহিত হতে পারে না।
৫৭। প্রত্যেক মানুষ কীসের সাথে সম্পর্কিত?
উত্তর: প্রত্যেক মানুষ সমাজের সাথে সম্পর্কিত।
৫৮। প্রত্যেক মানুষের কল্যাণ কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর: প্রত্যেক মানুষের কল্যাণ সমাজের ভালো-মন্দের সাথে সম্পর্কিত।
৫৯। উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ কী হয়ে যায়?
উত্তর: উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ স্রেফ দান-খয়রাত আর কাঙালি ভোজনের মতো মানব-মর্যাদার অবমাননাকর এক পদ্ধতি হয়ে যায়।
৬০। কোন ধরনের মানব-কল্যাণ ফলপ্রসু হতে পারে না?
উত্তর: মানুষের মনুষ্যত্বকে বাদ দিয়ে স্রেফ তার জৈব অস্তিত্বের প্রতি সহানুভূতিশীল মানব-কল্যাণ ফলপ্রসু হতে পারে না।
৬১। মানব-কল্যোণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?
উত্তর: মানব-কল্যোণের কুৎসিত রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
৬২। মানব-কল্যাণের কুৎসিত রূপ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: মানব-কল্যাণের কুৎসিত রূপ আমাদের আশেপাশে, চারদিকে তাকালেই দেখা যায়।
৬৩। বর্তমানে মানব-কল্যাণ অর্থে আমরা যা বুঝি তার প্রধানতম অন্তরায় কী?
উত্তর: বর্তমানে মানব-কল্যাণ অর্থে আমরা যা বুঝি তার প্রধানতম অন্তরায় রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা।
৬৪। বর্তমানে কোনটি মানুষকে মেলায় না, করে বিভক্ত?
উত্তর: বর্তমানে রাষ্ট্র, জাতি,সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা মানুষকে মেলায় না, করে বিভক্ত।
৬৫। কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
উত্তর: সমতা আর সংযোগ-সহযোগিতার পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়।
৬৬। কোন মনোভাব নিয়ে মানুষের কল্যাণ করা যায় না?
উত্তর: বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে মানুষের কল্যাণ করা যায় না।
৬৭। সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
উত্তর: সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনার ফসল।
৬৮। বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভারা সবাই কী রেখে গেছেন?
উত্তর: বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভারা সবাই মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।
৬৯। কোন উত্তরাধিকারকে আমরা জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি?
উত্তর: বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভাদের রেখে যাওয়া মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকারকে আমরা জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি।
৭০। বঙ্কিমচন্দ্রের অবিষ্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তি কোনটি?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্রের অবিষ্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তি হলো,“তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন”।
৭১। অনুগৃহীত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: অনুগৃহীত শব্দের অর্থ-উপকৃত বা অনুগ্রহ বা আনুকূল্য পেয়েছে এমন।
৭২। ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ-বুদ্ধি,মনন,প্রতিভা,প্রজ্ঞা।
৭৩। ‘র্যাশনাল’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘র্যাশনাল’ শব্দের অর্থ-বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন।
৭৪। মুক্তবুদ্ধি কী?
উত্তর: মুক্তবুদ্ধি হলো- সংকীর্ণতা ও গোঁড়ামিমুক্ত উদার মানসিকতা।
৭৫। ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটির রচয়িতার নাম কী?
উত্তর: ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটির রচয়িতার নাম আবুল ফজল।
৭৬। লেখকের মতে,মানব-কল্যাণ কী?
উত্তর: লেখকের মতে,মানব-কল্যাণ হলো-মানুষের সার্বিক মঙ্গরের প্রয়াস।
৭৭। লেখকের মতে, কোন ধারণা সংর্কীণ মনোভাবের পরিচায়ক?
উত্তর: লেখকের মতে, করুণাবশত দান-খয়রাত করা সংর্কীণ মনোভাবের পরিচায়ক।
৭৮। মানব-কল্যাণের লক্ষ কী?
উত্তর: মানব-কল্যাণের লক্ষ হলো- সকল অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো।
৭৯। মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয়’-তাহলে মানব-কল্যাণ কী?
উত্তর: মানব-কল্যাণ জাগতিক মানবধর্ম।
৮০। ‘রেডক্রস ’ কোন ধরনের সংস্থা?
উত্তর: ‘রেডক্রস ’একটি সেবাধর্মী সংস্থা।
৮১। Relationship is the fundamental truth of the world of appearance- উক্তিটি কার?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
৮২। আবুল ফজলের ‘মানব-কল্যাণ’প্রবন্ধটি কত খ্রিষ্টাব্দে রচিত?
উত্তর: আবুল ফজলের ‘মানব-কল্যাণ’প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত।
৮৩। ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থে সংকলিত হয়?
উত্তর: ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি প্রথম ‘মানবতন্ত্র’ গ্রন্থে সংকলিত হয়।
মুসা স্যার
বাংলা
01713211910
www.onlinereadingroombd.com
+88 01713 211 910