
HSC 2025 Bangla 2nd Paper Question and Full Solution – Sylhet Board | বাংলা দ্বিতীয় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান
HSC 2025 Bangla 2nd Paper Question and Full Solution – Sylhet Board | বাংলা দ্বিতীয় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান
সিলেট বোর্ড-২৫
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
ক বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৩০
১। ক) 'এ' ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর: নিচে এ' ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উপস্থাপন করা হলো:
১. তৎসম শব্দের এ-এর উচ্চারণ সাধারণ অবিকৃত থাকে। যেমন: বেদনা (বেদোনা), দেবতা (দেবোতা)।
২. আদ্য এ-এর পরে 'অ' বা 'আ' থাকলে সেই 'এ' এর উচ্চারণ 'অ্যা' এর মতো হয়। যেমন: এক (অ্যাক); তেমন (ত্যামোন্)।
৩. এ-কারযুক্ত ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্তগ হলে সেই 'এ'-এর উচ্চারণ অ্যা-রূপে হয়ে থাকে। যেমন: খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা)।
৪. শব্দের শেষের এ-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যেমন: পথে, ঘাটে, হাটে।
৫. একাক্ষর সর্বনাম পদের 'এ' সাধারণত অবিকৃত এ-রূপে উচ্চাতির হয়। যেমন: সে, যে, কে, রে।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
সিলেট বোর্ড-২৫
|
প্রদত্ত শব্দ |
উচ্চারণ |
|
অধ্যক্ষ |
ওদ্ধোক্খো |
|
উদ্যোগ |
উদ্দোগ |
|
সভ্য |
শোব্ভো |
|
ব্যাখ্যা |
ব্যাক্খা, |
|
ঋগ্বেদ |
রিগ্বেদ্ |
|
যজ্ঞ |
জোগ্গোঁ |
|
স্মর্তব্য |
শর্তোব্বো |
|
ভবিষ্যৎ |
ভোবিশ্শত্ |
২। ক) আধুনিক বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর: নিচে প্রমিত বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম আলোচনা করা হলো:
১. সকল অতৎসম শব্দে ই-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন: বাড়ি, পাখি, বেশি ইত্যাদি।
২. বিশেষণবাচক 'আলি' প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন: বর্ণালি, সোনালি ইত্যাদি।
৩. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: ইরানি, জাপানি ইত্যাদি।
৪. পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: মেয়েটি, বইটি, কলমটি ইত্যাদি।
৫. ক্রিয়াবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: পড়েছি, দেখেছি, করেছি ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
|
অশুদ্ধ বানান |
শুদ্ধ বানান |
|
ইতিপূর্বে |
ইতঃপূর্বে |
|
মুহুর্ত |
মুহূর্ত |
|
পিপিলিকা |
পিপীলিকা |
|
গীতাঞ্জলী |
গীতাঞ্জলি |
|
পোষ্টমাষ্টার |
পোস্টমাস্টার |
|
পানিনি |
পাণিনি |
|
সাতন্ত্র |
স্বাতন্ত্র্য |
|
নুন্যতম |
ন্যূনতম |
৩। ক) উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
উত্তর: ক্রিয়ার প্রকারভেদ
ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে, বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে এবং গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াকে নানা ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:
১. সমাপিকা ক্রিয়া
২. অসমাপিকা ক্রিয়া:
নিচে এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
১. সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন: ভালো করে পড়াশোনা করবে।
২. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।যেমন: ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে।
অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের:
(i) ভূত অসমাপিকা,
(ii) ভাবী অসমাপিকা এবং
(iii) শর্ত অসমাপিকা।
যথা:
ভূত অসমাপিকা: সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা: সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা: গান করলে তার মন ভালো হয়।
খ. বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার:
১. অকর্মক ক্রিয়া:
২. সকর্মক ক্রিয়া :
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
নিচে এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: সুমন ঘুমায়।এই বাক্যে কোনো কর্ম নেই।
২. সকর্মক ক্রিয়া : বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।যেমন: আইমান বই পড়ছে। এই বাক্যে 'পড়ছে' হলো সকর্মক ক্রিয়া। 'বই' হলো 'পড়ছে' ক্রিয়ার কর্ম।
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন। এই বাক্যে 'দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। 'কী দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম ('বই'), আর 'কাকে দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম ('ছাত্রকে')।
গ. গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম:
১. সরল ক্রিয়া: একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে। যেমন: আদিলা লিখছে। আইমান মাঠে খেলছে। এখানে লিখছে ও খেলছে এগুলো সরল ক্রিয়া।
২. প্রযোজক ক্রিয়া: কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যেমন: স্যার আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায় এখানে 'করাচ্ছেন' ও 'খাওয়ায়' প্রযোজক ক্রিয়া।
৩. নামক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে -আ বা -আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে। যেমন : বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়; বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে-আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না; ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়।
৪. সংযোগ ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
করা ক্রিয়া যোগে: গান করা, গরম করা, ঠনঠন করা, ব্যাট করা;
কাটা ক্রিয়া যোগে: সাঁতার কাটা, বিপদ কাটা;
হওয়া ক্রিয়া যোগে: উদয় হওয়া, বড়ো হওয়া, রাজি হওয়া;
দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া, মন দেওয়া, দোষ দেওয়া;
ধরা ক্রিয়া যোগে: ভাঙন ধরা, মরচে ধরা, ক্যাচ ধরা;
পাওয়া ক্রিয়া যোগে: লজ্জা পাওয়া, কষ্ট পাওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া;
খাওয়া ক্রিয়া যোগে: আছাড় খাওয়া, মার খাওয়া, ডিগবাজি খাওয়া;
মারা ক্রিয়া যোগে: উঁকি মারা, পকেট মারা।
৫. যৌগিক ক্রিয়া: অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন: মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানো, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তোলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ শব্দ চিহ্নিত কর:
অপরের জন্য তুমি প্রাণ দাও-আমি বলতে চাইনা। অপরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুঃখ তুমি দূর কর। অপরকে একটুখানি সুখ দাও। অপরের সঙ্গে একটুখানি মিষ্টি কথা বল। পথের অসহায় মানুষটির দিকে একটা করুণ দৃষ্টি নিক্ষেপ কর-তাহলেই অনেক হবে।
পাঁচটি বিশেষণ শব্দ চিহ্নিত করা হলো:
i) ক্ষুদ্র
ii) একটুখানি
iii) মিষ্টি
iv) অসহায়
v) করুণ।
৪। ক) উপসর্গ কী? উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর।
উত্তর: অর্থহীন অথচ অর্থ-দ্যোতক যে সকল অব্যয় শব্দ কৃদন্ত বা নাম শব্দের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের পরিবর্তন, সঙ্কোচন, প্রসারণ কিংবা অন্য কোনো পরিবর্তন সাধন করে, সে সব অব্যয় শব্দকে বাংলায় উপসর্গ বলে। যেমন-আ, পরি, নি, উপ প্রভৃতি।
উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা: নতুন নতুন শব্দ গঠনে উপসর্গের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়-শব্দের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সম্প্রসারণ, সংকোচন কিংবা পূর্ণতা সাধনে উপসর্গ বিশেষ ভূমিকা রাখে। উপসর্গগুলোর নিজস্ব অর্থ না থাকলেও অন্য শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে এগুলো অর্থের দ্যোতনা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: ‘পয়া’ শব্দের আগে ‘অ’ উপসর্গযোগে ‘অপয়া’ শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ-কুলক্ষণযুক্ত। এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে। আবার ‘পূর্ণ’ শব্দের আগে ‘পরি’ উপসর্গযোগে ‘পরিপূর্ণ’ গঠিত হয়, যার অর্থ-সামগ্রিকভাবে ভরপুর। এখানে শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ হয়েছে। এভাবে সংস্কৃত, বাংলা ও বিদেশি উপসর্গের দ্বারা বাংলা ভাষায় প্রতিনিয়ত নতুন শব্দ গঠিত হচ্ছে। এ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে বলতে পারি, উপসর্গের ব্যবহার বাংলা শব্দসম্ভারকে সমৃদ্ধ করেছে। আর এ কারণেই বাংলা ভাষার নতুন নতুন শব্দ সৃষ্টি এবং ভাষার শ্রীবৃদ্ধিতে উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ (যে কোনো পাঁচটি):
|
প্রদত্ত শব্দ |
ব্যাসবাক্য |
সমাসের নাম |
|
পদ্মআঁখি |
আঁখি পদ্মের ন্যায় |
উপমিত কর্মধারায় |
|
হজযাত্রা |
হজের জন্য যাত্রা |
চতুর্থী তৎপুরুষ |
|
নদীমাতৃক |
নদী মাতা যার |
বহুব্রীহি |
|
ক্রোধানল |
ক্রোধ রূপ অনল |
রূপক কর্মধারায় |
|
দম্পতি |
জায়া ও পতি |
দ্বন্দ্ব |
|
ধর্মঘট |
ধর্ম রক্ষার্থে (অন্যায় রোধে) ঘট |
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় |
|
বজ্রকঠোর |
বজ্রের ন্যায় কঠোর |
উপমান কর্মধারয় |
|
ঢেঁকিছাটা |
ঢেঁকি দ্বারা ছাটা |
তৃতীয়া তৎপুরুষ |
৫। ক) একটি সার্থক বাক্যের কী কী গুণ থাকা আবশ্যক? উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর: সম্পূর্ণ রূপে অর্থ প্রকাশক এবং পরস্পর অর্থ সম্পর্কিত যে পদ সমষ্টি বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তাকে বাক্য বলে। যেমন: তাসনীম সকল মানুষকে ভালবাসে। তবে সার্থক বাক্যের নিম্নলিখিত তিনটি গুণ থাকা চাই:
(১) আকাঙ্ক্ষা (২) আসত্তি এবং (৩) যোগ্যতা।
১. আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙ্ক্ষা । যেমন-‘চন্দ্র পৃথিবীর চারিদিকে’-বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না, আরও কিছু শোনবার ইচ্ছা হয়। বাক্যটি এভাবে পূর্ণাঙ্গ করা যায় : চন্দ্র পৃথিবীর চারদিক ঘোরে। এখানে আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি হয়েছে বলে এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
২. আসত্তি : মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়।
বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ-বিন্যাসই আসত্তি।
কাল বিতরণ হবে উৎসব আমাদের স্কুলে পুরস্কার অনুষ্ঠিত। -লেখা হলে পদ সন্নিবেশ ঠিকভাবে না হওায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবটি যথাযথভাবে প্রকাশ হয়নি। তাই এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য হয়নি।
মনোভাব পূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য পদগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে যথাস্থানে সন্নিবেষ্ট করতে হবে: কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।-বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।
৩. যোগ্যতা : বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা। যেমন-বর্ষায় বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়-এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্নবাক্য কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে।
কিন্তু-বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।-বললে বাক্যটি ভাবপ্রকাশের যোগ্যতা হারাবে। কারণ রৌদ্র প্লাবন সৃষ্টি করে না।
অথবা, খ) নির্দেশ অনুসারে বাক্যান্তর কর (যে কোনো পাঁচটি):
|
প্রদত্ত বাক্য |
বাক্যান্তর |
|
i) ধনির কন্যা তার পছন্দ নয়। (অস্তিবাচক) |
ধনীর কন্যা তার অপছন্দ। |
|
ii) এখানে আসতেই হলো (নেতিবাচক) |
এখানে না এসে পারলাম না। |
|
iii) মৃত্যুই জীবনের শেষ। (প্রশ্নবোধক) |
মৃত্যুই কি জীবনের শেষ নয়? |
|
iv) "ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই।" (সরল) |
আমার অন্তঃপুরে ইহাদের মতো রূপবতী রমণী নাই। |
|
v) যে লোকটি এখানে এসেছিল সে আমার ভাই। (যৌগিক) |
একজন লোক এখানে এসেছিল এবং সে আমার ভাই। |
|
vi) কেন সময় নষ্ট কর? (নির্দেশাত্মক) |
সময় নষ্ট করা ঠিক নয়। |
|
vii) নির্বোধকে এত বুঝিয়ো না। (জটিল) |
যে নির্বোধ, তাকে এত বুঝিয়ো না। |
|
viii) বিপদে অধির হতে নেই। (অনুজ্ঞাসূচক) |
বিপদে অধীর হয়ো না। |
৬। ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ।
|
অশুদ্ধ বাক্য |
শুদ্ধ বাক্য |
|
i) নদীর জল হ্রাস হয়েছে। |
নদীর জল হ্রাস পেয়েছে। |
|
ii) এ মামলায় আমি সাক্ষী দেব না। |
এ মামলায় আমি সাক্ষ্য দেব না। |
|
iii) আমৃত্যু পর্যন্ত দেশের সেবা করে যাব। |
আমৃত্যু দেশের সেবা করে যাব।/মৃত্যু পর্যন্ত দেশের সেবা করে যাব। |
|
iv) বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। |
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। |
|
v) মেয়েটি বিদ্বান কিন্তু ঝগড়াটে। |
মেয়েটি বিদুষী কিন্তু ঝগড়াটে। |
|
vi) এ কথা প্রমাণ হয়েছে। |
এ কথা প্রমাণিত হয়েছে। |
|
vii) ছেলেটি দুর্দান্ত মেধাবী। |
ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী। |
|
viii) আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি। |
আমি এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। |
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনযোগী। বানান শুদ্ধ করে লেখার জন্য তাহারা ত সচেষ্টিত নহেই, বরং অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, তাহারা সবাই ভুল করার প্রতিযোগীতায় নেমেছে।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
আজকাল বানানের ব্যাপারে সব ছাত্রই অমনোযোগী। বানান শুদ্ধ করে লেখার ব্যাপারে তারা তো সচেষ্ট নয়ই, বরং অবস্থা দেখে মনে হয় তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
খ বিভাগ নির্মিতি
মান-৭০
৭। ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ১০
|
প্রদত্ত শব্দ |
পারিভাষিক রূপ |
|
Aid |
সাহায্য |
|
Worship |
পূজা |
|
Embargo |
আরোধ |
|
Book-post |
খোলা ডাক |
|
Cartoon |
ব্যঙ্গচিত্র |
|
Fiction |
কথাসাহিত্য/কল্পকাহিনি |
|
Ad-hoc |
অনানুষ্ঠানিক/ অস্থায়ী |
|
Memorandum |
স্মারকলিপি |
|
Circle |
বৃত্ত |
|
Dialect |
উপভাষা |
|
Manuscript |
পাণ্ডুলিপি |
|
Tribunal |
ন্যায়পীঠ/ট্রাইবুনাল |
|
Racism |
বর্ণবাদ |
|
Catalogue |
গ্রন্থতালিকা |
|
Up-to-date |
হালনাগাদ। |
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Early rising is beneficial to health. The boy who rises early enjoy the fine air of the morning. He can take a walk by the river side or in the open field. He can enjoy sweet songs of the birds and see the beautiful sight of the sunrise. All these make him healthy and cheerful.
বঙ্গানুবাদ:
ভোরে ওঠা স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী। যে ছেলে ভোরে ওঠে, সে সকালের নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারে। সে নদীর ধারে বা উন্মুক্ত মাঠে হাঁটতে পারে। সে পাখির মধুর গান শুনতে পারে এবং সূর্যোদয়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে পারে। এই সমস্ত কিছু তাকে স্বাস্থ্যবান ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
৮। ক) পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন অবলম্বনে একটি দিনলিপি রচনা কর।
উত্তর: নিচের লিংকে
অথবা, খ) দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তার প্রতিকার- বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
উত্তর: নিচের লিংকে
৯। ক) বাংলা নববসন্তের শুভেচ্ছা জানিয়ে বন্ধুর নিকট একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ।
উত্তর: নিচের লিংকে
অথবা, খ) কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে 'হিসাবরক্ষক' পদে নিয়োগ লাভের জন্য একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০। ক) সারমর্ম লেখ:
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।
উত্তর: কবিতায় জীবনের অতল বেদনা ও অপূরণীয় ক্ষতির প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। কবি দেখান, একটি ছোট নৌকা—যেটি ‘সোনার ধানে’ পরিপূর্ণ—এমন সময় চলে গেল যখন কবি ছিল একাকী ও অসহায়। শ্রাবণের ঘন মেঘে ঘেরা আকাশ ও শূন্য নদীতীর এই বেদনার আবহ সৃষ্টি করে। কবি বোঝাতে চান, জীবনের মূল্যবান সম্পদ, স্বপ্ন বা সুখ হঠাৎ করেই হারিয়ে যেতে পারে, আর আমরা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকি। ‘যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী’—এই পঙক্তিতে জীবনের হারানোর যন্ত্রণা এবং শূন্যতার অনুভব গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
উত্তর: নিচের লিংকে
১১। ক) গণতন্ত্রের উত্তরণ ও সাম্প্রতিক বালাদেশ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা কর।
অথবা, খ) 'মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম শিরোসামে একটি খুদে গল্প রচনা কর।
১২। যে কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ লেখ। ২০
ক) অধ্যবসায়
খ) শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার
গ) দেশ গঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা
ঘ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা
৬) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
প্রশ্ন সমাধান করেছেন
ড. এ. আই. এম. মুসা
অধ্যাপক- বাংলা
www.onlinereadingroombd.com
ভূতপূর্ব শিক্ষক : রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর।
সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর।
সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট
+88 01713 211 910